নজরবন্দি ব্যুরো: দলবদলের রেস আর তাঁর জল্পনা থামছেই না তৃণমূলের অন্দরে। একেকদিনের সভা মঞ্চে অনুপস্থিত থেকে দলত্যাগের জল্পনা উস্কে দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক ও আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি বিশ্বনাথ পারিয়াল। শুধু বিশ্বনাথ নন একাধিক কাউন্সিলরও অনুপস্থিত ছিলেন সেদিন। ব্যস সেখানেই শুরু হয়েছে জল্পনা।
আরও পড়ুন: ভোটের আগেই ‘চোখের আলো’, প্রবীণদের জন্য প্রকল্প ঘোষণা মমতার


তাহলে কি আবারও একঝাঁক দলীয় কর্মী দলত্যাগ করছেন তৃণমূল থেকে। আর তা ঘিরেই বিধানসভা ভোটের আগে দুর্গাপুরে শুরু হয়েছে দলবদলের চরম জল্পনা। নির্বাচনের আগেই দুর্গাপুর নগর নিগমে তৃণমূল সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে বলে দাবি বিজেপির।
সূত্রের খবর সভার দিন বিশ্বনাথ দুর্গাপুরে থাকলেও জনসভায় যোগ দেননি, শুধু তাই নয় তাঁর ঘনিষ্ঠ ৬ জন কাউন্সিলরও অনুপস্থিত ছিলেন সভায়। অনেকে অসুস্থতার কারনে অনুপস্থিতির কথা জানালেও এভাবে দল বেঁধে গরহাজিরকে ভালো ভাবে দেখছে না কেউই। দলীয় সুত্রে জানা গিয়েছে মুলত বেসরকারি কারখানার কর্মী নিয়োগ নিয়েই দলের মধ্যে শুরু হয়েছিল বিবাদ। এবং সেই বিবাদের জেরেই সভায় উপস্তগিত থাকেননি বিশ্বনাথ।
এই ধারনা আরও উসকে দিয়েছে দলেরই অন্য এক নেতার বিজেপিতে যোগ দেওয়া। তিনি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জোর গলায় বলেছেন, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দল বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তৃণমূলের অনেক নেতা মন্ত্রীই যোগাযোগ করছেন। যদিও মলয় ঘটক জানিয়েছেন অনেকে অসুস্থতার কারণে আসতে পারেনি, বাকিদের খোঁজ নেওয়া হবে। তবে বিজেপি যা জানাচ্ছে তাতে গল্প ঘুরে যাচ্ছে অন্যদিকে।


দলীয় সভায় অনুপস্থিত INTTUC-র জেলা সভাপতি, ভোটের আগে যেভাবে দলত্যাগ করছেন তৃণমূলের কর্মীরা, তাতে এমনিতেই হতবাক রাজ্যবাসী। এরপর এদিন দুর্গাপুরের সভভায় অনুপস্থিত আরও একদল দলীয় কর্মী। বিজেপির বক্তব্য সত্যি করে যদি সত্যিই তাঁরা বিজেপিতে যোগ দুর্গাপুরে কার্যত সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে তৃণমূল।







