নজরবন্দি ব্যুরো: ভোট-পরবর্তী দলবদল কেন? কারণ জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। একুশের বিধানসভা ভোটের আগে দলবদল কাহিনী ছিল সেই সময় তৃণমূল ছেড়ে বহু নেতা মন্ত্রী সাধারণ কর্মীরা দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ভোট-পরবর্তী বঙ্গের দলবদলে চিত্রটা পুরোই উল্টো এখন বিজেপি থেকে দলে দলে আবার তৃণমূলে চলে যাচ্ছেন নেতা থেকে কর্মী সমর্থক। এককথায় ভোট-পরবর্তী বিজেপি দলে ভাঙ্গন ধরেছে। আর এই নিয়েই অবশেষে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কথা বললেন সাংবাদিকদের সাথে।
আরও পড়ুনঃ এক দিনের ভোটে প্রভাব পড়বে না রাজ্যে, উপনির্বাচনের আর্জি মমতার
কিন্তু ভোট পরবর্তী সময়ে কেন এই ভাঙ্গন এ প্রশ্নের উত্তর না কি খুঁজে পেয়েছেন দীলিপবাবু। তিনি জানান বিজেপি থেকে তৃণমূলে যাওয়ার যে হিড়িক তাতে দোষ রয়েছে তাদের। এই দলবদল এর জন্য তৃণমূলের সন্ত্রাস যেমন দায়ী তেমনি বিজেপির তাদের কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে পারেননি বলেই মনে করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। দীলিপবাবু বলেন শুধু তৃণমূল নয় এর জন্য দায়ী রাজ্য সরকারও। রাজ্যজুড়ে বিজেপি কর্মীদের উপরে যে সন্ত্রাস চলছে তাতে মধুর দিয়েছে রাজ্য সরকার। ঘরছাড়া হয়েছেন অনেক বিজেপি কর্মী সমর্থক। রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষের মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আর ঘরছাড়া মানুষগুলো তৃণমূল করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফের ঘরে ফিরছেন। দিলীপবাবু আরো বলেন ভোট-পরবর্তী হিংসার কারণে দলীয় কর্মীদের উপর অত্যাচার হচ্ছে এই অভিযোগে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করা। এটা আমাদের ব্যর্থতা যে আমরা আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছি। সঙ্গে সঙ্গে সরকারও এই দায় এড়াতে পারে না। সরকার যদি অত্যাচার করে মানুষ কি করবে। তারা তো নিরাপদ আশ্রয় খুঁজবে।
ভোট-পরবর্তী দলবদল কেন? কারণ জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। তাই তারা তৃণমূল করার আগাম প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘরে ফিরছেন। আর সেটা আমাদেরকে জানিয়েই ফিরছেন। তবে দীলিপবাবু আশা প্রকাশ করেন ভোটের আগে যারা দল পাল্টে ছিলেন তারাই প্রধানত ফের দল পাল্টে তৃণমূলে যাচ্ছেন। বিজেপির পুরনো কর্মীরা অত্যাচার সহ্য করেও দলে আছেন।



