নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপির দলীপ গ্রুপ ছাড়ার হিড়িক চলছে। মাঝেমধ্যেই খবরের শিরোনামে আসে নেতা, বিধায়ক বা সাংসদদের দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দেওয়ার খবর। এবার সেই বিতর্কে ঘৃতাহুতি দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এদিন সকালে তিনি মন্তব্য করেন, ‘আমারও মাঝেমাঝে মনে হয়, গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাই।’
আরও পড়ুনঃ সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় বাংলা, দেশে ২৪ ঘন্টায় কোভিড আক্রান্ত প্রায় ২ লাখ।
কিছুদিন ধরেই বিজেপি বিধায়কদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ত্যাগ করার ঘটনা সামনে আসছে। সাম্প্রতিক কালে প্রথম গ্রুপ ছাড়েন খড়গপুর সদরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির গ্রুপ ত্যাগ করে দিলীপ ঘোষকে নিশানা করেণ তিনি তিনি। জানা গিয়েছিল দিলীপের অনুগামীরাই নাকি কোণঠাসা করে ফেলেছিলেন হিরণকে। দলেরই অপর গোষ্ঠী থেকে রাজনৈতিক চাপ আসছিল। তাই তিনি গ্রুপ ছেড়েছেন। পাল্টা দিলীপ আক্রমণ করেছিলেন হিরণ কে। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেছিলেন, কে গ্রুপ ছাড়ল, সেটা তাঁর দেখার কথা নয়।
হিরণের কিছুদিন পরে নতুন সংযোজন শঙ্কুদেব পণ্ডা। গতকালই তিনি বিজেপি (BJP) যুব মোর্চার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। শোনা যাচ্ছে শুধু গ্রুপ নয় বিজেপি থেকেই অব্যাহতি নিতে চলেছেন শঙ্কু। প্রাণপণে চাইছেন পুরোন দলে ফিরতে। মূলত মুকুল রায় বিজেপি ত্যাগ করার পরেই শঙ্কু ইন-অ্যাকটিভ বিজেপির অন্দরে। শঙ্কু ছাড়াও একাধিক নেতা নড়ছেন বিজেপিতে। যার মধ্যে অন্যতম হলেন জয়প্রকাশ মজুমদার, শান্তনু ঠাকুর।
আমারও মাঝেমাঝে মনে হয়, গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাই! বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ।

সব কিছু নিয়ে সোমবার সকালে ইকোপার্কে ভ্রমণকালে দিলীপ বলেন, “আমারও মাঝেমধ্যে মনে হয় গ্রুপ লেফট করি। তাহলে কী হবে? তাহলে কেবল খবর হবে। সংবাদমাধ্যমের নজরে আসব। এর চেয়ে বেশি কিছু হবে না। কারণ, গ্রুপ লেফট করে সমস্যা সমাধান বা পদপ্রাপ্তি কোনওটাই হয় না। উল্টে অসম্মানিত হতে হয়। দলের অন্দরে কোনও সমস্যা তৈরি হলে সেটা ভেতরেই মিটিয়ে নেওয়া ভাল। সেই সুযোগও রয়েছে।”



