নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোজ খাচ্ছেন, কথা বলছেন না! আপনি কি ছবি তুলতে এসেছেন? ক্রমেই জমে উঠছে অমিত-অভিষেক তরজা! গতকালের পর আজ আবারও অমিত শাহকে নিশানা করে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায় ৷ গতকাল আদিবাসীর পর এবার বিজেপি কর্মী ও মতুয়া সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির বাড়িতে মধ্য়াহ্নভোজে গিয়েও বাড়ির সদস্য়দের সঙ্গে কথা না বলার প্রসঙ্গ তুলে অমিত শাহকে কটাক্ষ করেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ৷
আরও পড়ুনঃ বিজেপি-তে যোগ দিচ্ছেন অজয় চক্রবর্তী? কতটা কাজে এল অমিতের কুশল বিনিময়?


‘বর্তমান’ খবরের কাগজে মাধ্য়মে প্রকাশিত ছবি ও তার হেড লাইনের ফোটো ট্যুইট করেন অভিষেক৷ বর্তমান কাগজের ছবি এবং হেডলাইনের সারমর্ম হল, খেতে ব্য়স্ত অমিত শাহ কিন্তু তিনি বাড়ির সদস্য়দের সঙ্গে কথা বলারই সময় পাননি৷ এই খবর পোস্ট করে তৃণমূল যুব সভাপতি লিখেছে, “এই হল অমিত শাহ জি-র টোকেন মিলের পিছনের আসল সত্য়তা৷ তিনি তপশিলি জাতি এবং নির্দিষ্ট এই পরিবারটিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্য়বহার করছেন৷ সবকরলেন কিন্তু তাঁদের সঙ্গে কয়েক মুহূর্ত কথা বলার প্রয়োজনবোধ করলেন না তিনি ৷ ট্যুইটের শেষে অভিষেক লিখেছেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাশয়, আপনি কি শুধু ফোটো তুলতে এখানে এসেছেন?”
অন্যদিকে এদিন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পাশাপাশি অভিষেক বন্দোপাধ্যায়-কেও আক্রমনের নিশানা করেন অমিত শাহ। তিনি আভাস দেন, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন্দ্র করে তা জানেন তিনি! তাঁর দাবি, ২০২১ নির্বাচনে তৃণমূল জিতে গেলে মুখ্যমন্ত্রী করা হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে। তৃণমূলের ভেতর থেকে নাকি এইরকম খবর পেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “আগামী নির্বাচনে মমতার একটাই এজেন্ডা। ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো।”
২০২১ নির্বাচনে বিজেপি কে জয়ী করা আহ্বান জানিয়ে বাংলার মানুষের কাছে তাঁর আর্জি, “কংগ্রেসকে সুযোগ দিয়েছেন, বামপন্থীদের দীর্ঘ সুযোগ দিয়েছেন, মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে দু’বার সুযোগ দিয়েছেন। এরা সবাই বাংলার জনতার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এবার নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি-কে সুযোগ দিন। পাঁচ বছরে সোনার বাংলা গড়ে দেওয়া হবে।


অমিত শাহ এদিন সাংবাদিক সম্মেলনের শুরুতেই বলেন, “দলের নেতাদের কাছ থেকে প্রতি মুহূর্তেই বাংলার খবর পাই। তবে গত দু’দিন ধরে বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে কথা বলে বুঝলাম মা মাটি মানুষের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসা সরকারের বিরুদ্ধে মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছে। তাই এই সরকারের পরিবর্তন চাইছে মানুষ। তারা নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি-র সরকার চাইছে।”







