নজরবন্দি ব্যুরোঃ রক্ষী থেকে বুলেট প্রুফ গাড়ি, সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তার খাতিরে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এসব পেয়েছিলেন শিশির-দুব্যেন্দু। তবে তৃণমূল সাংসদদের সুরক্ষার জন্য কেন্দ্র থেকে নিরাপত্তা রক্ষী পাঠানোর পর রাজ্যসরকার নাকি নিজেদের নিরাপত্তা ‘প্রত্যাহার’ করেছে অধিকারী পরিবারের ওই দুই সদস্যের ওপর থেকে। তেমটাই অভিযোগ করেছেন খোদ দিব্যেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুনঃ ভুল বুঝিয়ে BJP নিজেদের দলে টেনেছিল, এবার তৃণমূলে ফিরতে চান সরলা


গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই অধিকারী পরিবারের সাথে তৃণমূলের দূরত্ব বাড়ছে। দিন যত পেরোচ্ছে স্পষ্ট হচ্ছে সবকিছু। শুভেন্দু সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেন ১৯সে ডিসেম্বর। ক’দিন পরে যান এক ভাই সৌমেন্দুও। কিন্তু শিশির-দিব্যেন্দু এখনো স্পষ্ট কোন সিদ্ধান্ত জানাননি। শিশির অধিকারী বিজেপির সভায় গেলেও পতাকা হাতে তোলেননি। দিব্যেন্দুও এখনো তৃণমূলের সাংসদ।
কিন্তু একাধিক রদবদলে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছেন মেদিনীপুর আর অধিকারীদের একচেটিয়া গড় নয়, তাদের গড়েই অ্যান্টি অধিকারিদের বসিয়েছেন একাধিক জায়গায়। এই পরিস্থিতিতে গত পরশু কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী এবং তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীর জন্য কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা জারি করেছে স্বরাস্ট্রমন্ত্রক। শুক্রবার রাতেই ২ সাংসদের সুরক্ষার জন্য কাঁথি এসে পৌঁছেছে ৬ জন জওয়ান।
রক্ষী থেকে বুলেট প্রুফ গাড়ি, কেন্দ্র নিরাপত্তা দিতেই রাজ্য সরিয়ে নিচ্ছে! কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার পর এমনটাই অভিযোগ করলেন দিব্যেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য কেন্দ্রের কাছে নিরাপত্তার আবেদন করেননি তাঁরা। কেন্দ্র নিজে দিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা রক্ষীরা আসার পর রাজ্য সরকার অধিকারী পরিবারের দুই সাংসদের-সদস্যের নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। এমনকি শিশির অধিকারীর জন্যে বরাদ্দ বুলেট প্রুফ গাড়িও ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


দিব্যেন্দু জানিয়েছেন কেন্দ্রের তরফ থেকে আসা নোটিসে বলা ছিলো রাজ্য তাদের নিজেদের নিরাপত্তারক্ষী বহাল রাখবে, এই বিষয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করবেন বলেও জানান। যদিও জেলা পুলিশের দাবি শিশির-দিব্যেন্দুর নিরাপত্তায় রাজ্য পুলিশও থাকবে, শুধু আগে যাঁরা ছিলেন তাঁদের পরিবর্তন করা হচ্ছে।







