কার্ড থাকা সত্ত্বেও মিলছে না চিকিৎসা, স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন মহিলার।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: সরকারি চিকিৎসার পরিষেবা স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড থাকা সত্ত্বেও মিলছে না। এমনই অভিযোগ তুলে প্রশাসনের কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন অসহায় পরিবারের।এর ফলে রাজনৈতিক তরজা আর যা নিয়ে শুরু হয়েছে। ঘটনায় আলোড়ন মালদহে।মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের জন্য যেখানে দুয়ারে সরকারের মতো ক্যাম্প করে রাজ্যের সমস্ত জনগণের হাতে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরার মত পে-কমিশন, বিহার কায়দায় ফ্রি টিকা! নবান্ন দখলে প্রতিশ্রুতির বন্যা BJP-র।

রাজ্যবাসী যাতে বিনামূল্যে চিকিৎসার পরিষেবা পান সরকারি ও বেসরকারি নার্সিংহোমে তার জন্য ভোটের আগেই সবাইকে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দিতে মরিয়া প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনকি স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল ফেরানোর লক্ষ্যে আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন। স্বয়ং তিনি নিজেও লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে নিয়েছেন স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড।

এরকম পরিস্থিতিতে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে ধরা পড়ল উল্টো চিত্র।স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড থাকা সত্ত্বেও সরকারি থেকে বেসরকারি সমস্ত হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে ও চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠল দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত এক রোগীর।

কার্ড থাকা সত্ত্বেও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে স্বপরিবারে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করেছেন মালদহের হরিশ্চন্দ্র পুর এলাকার বাসিন্দা পিঙ্কি দাস। ভোটের মুখে এমনই ছবি ধরা পড়ল জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার বারোডাঙ্গা গ্রামে।

অভিযোগ, স্বামীর অত্যাচারের শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে দুই সন্তানকে নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরেই বাবার বাড়িতে রয়েছেন পিঙ্কি । মা পেশায় দিনমজুর এবং বাবা ভ্যান চালক। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও হচ্ছে না অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসা এমনই অভিযোগ তুলেছেন।

বাবার ভ্যানে করেই অসুস্থ পিঙ্কিকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্লক অফিসে অভিযোগ জানাতে। অভিযোগকারী পিঙ্কি দাসের মা লক্ষ্মী দাস সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমার মেয়েকে ওর শ্বশুর এবং স্বামী দেখে না। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা হচ্ছে না। তাই আজ ব্লকে বিডিওর কাছে অভিযোগ জানাতে এসেছি। প্রশাসন দ্বারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যাতে আমার মেয়েটা বাঁচে। সমস্যার সমাধান না হলে আমরা সকলে স্বেচ্ছা মৃত্যুবরণ করবো”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন