শ্রদ্ধাকাণ্ডের ছায়া ফের দেখা গেল রাজধানী দিল্লিতেই। বাড়ির আলমারি থেকে উদ্ধার এক যুবতীর দেহ। গত কয়েকদিন ধরেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। মৃতার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত প্রেমিকের (Young Woman Murder) সন্ধান শুরু হয়েছে।



আরও পড়ুন: প্রকাশিত কংগ্রেসের ন্যায়পত্র, ক্ষমতায় এলে কী কী পরিবর্তন? ইস্তেহারে জানাল হাত শিবির
সূত্রে খবর, গত বুধবার রাতে এক ব্যক্তি দিল্লি পুলিশে অভিযোগ জানান, কয়েকদিন ধরে তাঁর মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি তাঁর মেয়ের খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও জানিয়েছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই ব্যক্তির মেয়ের ঠিকানায় পৌঁছায়। বাড়িতে তল্লাশি শুরু হয়। এরপরই আলমারিতে দেখা যায় যুবতীর দেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ফরেন্সিক টিম আনানো হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বছর ছাব্বিশের ওই যুবতী গত দেড় মাস ধরে দিল্লির (Delhi Murder Case) দ্বারকাতে ভাড়া বাড়িতে প্রেমিকের সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন। মৃতার বাবার অভিযোগ, লিভ ইন সঙ্গী তাঁর মেয়েকে খুন করেছে। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন শেষবার যখন ওই তরুণী জানিয়েছিলেন, তাঁর প্রেমিক বিপুল টেলর তাঁকে মারধর করে। খুন হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছিল বাবার কাছে। তারপর থেকেই মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না পরিবারের কেউই। বাধ্য হয়ে বুধবার পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়। অভিযুক্ত লিভ ইন সঙ্গী বিপুল টেলর গুজরাটের বাসিন্দা। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজ পেতে এলাকায় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।


শ্রদ্ধাকাণ্ডের ছায়া দিল্লিতেই! আলমারি থেকে উদ্ধার যুবতীর দেহ, অভিযুক্ত লিভ ইন সঙ্গী

২০২২ সালে ঘটে যাওয়া দিল্লির শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ড (Shraddha Murder case) গোটা দেশে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। রাজধানীতে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন এক যুগল। প্রেমিকাকে খুন করে ৩৫ টুকরো করার অভিযোগ ওঠে প্রেমিকের বিরুদ্ধে। তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত প্রেমিক শ্রদ্ধাকে রাগের বশে শ্বাসরোধ করে খুন করে। এরপর তাঁর দেহ ৩৫ টুকরো করে ফ্রিজে রেখে দেয়। এরপর কয়েকদিনে প্যাকেটে দেহাংশ ভরে নিকটবর্তী জঙ্গলে ফেলে দিয়ে আসত। তরুণীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশ তদন্ত শুরু করে সত্য সামনে আসে।







