লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে নিজেদের ইস্তেহার প্রকাশ করল কংগ্রেস। এই ইস্তেহারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ন্যায়পত্র’। এই ‘ন্যায়’ শব্দবন্ধটি বিগত কিছু সময় ধরেই কংগ্রেসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। ইস্তেহারেও তার অন্যথা হল না। কিন্তু, ক্ষমতায় এলে কী কী পরিবর্তনের কথা জানাল হাত শিবির?
আরও পড়ুন: আপোস করতে করতে কোণঠাসা কংগ্রেস, লোকসভার ইতিহাসে সবচেয়ে কম আসনে প্রার্থী দিলেন রাহুলেরা!


কংগ্রেসের ইস্তেহারে বলা হয়েছে, দেশের ৩০ লক্ষ সরকারি শূন্যপদে চাকরি দেওয়া হবে। পাওয়া যাবে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন স্বাস্থ্যবিমা। মহিলাদের আর্থিক সহায়তা আরও সুনির্দিষ্ট পথে এগোবে। জাতগণনার পাশাপাশি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জাতভিত্তিক সংরক্ষণ (এসসি, এসটি এবং ওবিসিদের জন্য) চালু করা হবে। এছাড়া আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া উচ্চবর্ণের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস।

আরও বলা হয়েছে, মোদী সরকার যে অস্থায়ী ‘অগ্নিবীর’ নিয়োগ শুরু করেছে তা বাতিল করে সেনাবাহিনীতে স্থানীয় নিয়োগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হবে। ক্ষমতায় এলে জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ রয়েছে। শুক্রবার সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খড়গে মিলিতভাবে দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে এই ইস্তেহার প্রকাশ করেন।



প্রকাশিত কংগ্রেসের ন্যায়পত্র, ক্ষমতায় এলে কী কী পরিবর্তন? ইস্তেহারে জানাল হাত শিবির
এদিকে, আবার, আপোস করতে করতে কোণঠাসা কংগ্রেস, লোকসভার ইতিহাসে সবচেয়ে কম আসনে প্রার্থী দিলেন রাহুল গান্ধীরা! এখনও পর্যন্ত কংগ্রেস ২৩৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, হিমাচল প্রদেশের মতো কয়েকটি রাজ্যে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা হয়নি।

ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, গুজরাট, মহারাষ্ট্র এবং বাংলার বেশ কিছু আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা এখনও বাকি কংগ্রেসের। আগামী দিনে আরও ৭০-৯০ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা হলেও এবারই সবচেয়ে কম আসনে লড়বে কংগ্রেস।








