Mid-day meal boycott: দলিত রাঁধুনির করা রান্না বয়কট পড়ুয়াদের,গুজরাটে এক কলঙ্কময় ঘটনা

দলিত রাঁধুনির করা রান্না বয়কট পড়ুয়াদের,গুজরাটে এক কলঙ্কময় ঘটনা
Dalit cook's cooking boycott is an unprecedented incident of Gujarat students

নজরবন্দি ব্যুরো: ৭৫ বছর স্বাধীনতা দিবসের আগেই গুজরাটে এক কলঙ্কময় ঘটনা ঘটলো। রাঁধুনি দলিত বলে মিড ডে মিল বয়কট করলো স্কুলের পড়ুয়ারা। গুজরাটের মোরবি জেলার একটি গ্রামীণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটে। ওবিসি কমিউনিটিতে অন্তত ১৪৭জন পড়ুয়ারা গত ১৬ই জুন থেকে ওই স্কুলের মিড ডে মিল বয়কট করেছে তারা।এই স্কুলের তদন্তকারী দল আসে। এবং,সেই দলের দাবি  স্কুলে মোট ১৫৩ জন পড়ুয়া আছে আর তার মধ্যে সে দিন ১৩৮ জন উপস্থিত ছিল। দলের এক সদস্য বলেন, ‘‘পড়ুয়ারা নিজেরাই টিফিন আনছে। স্কুলের মিড ডে মিল খাওয়ার পরিবর্তে ওরা বাড়ির খাবারই পছন্দ করছে।’’

আরও পড়ুনঃমধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়তে চলেছে, ফের রেপো রেট বাড়াল RBI

সেই স্কুলের পড়ুয়াদের অভিবাবকদের দাবি একজন দলিত মহিলা এই মিড ডে মিল রান্না করে সেটা তাদের বাচ্ছাদের খাওয়ানো উচিত নয়। তাইজন্য তারা  মিড ডে মিল বয়কট করেছেন। গুজরাটের মোরবি জেলার আরও পাঁচটা স্কুলের মতোই সেখানে প্রতিদিন মিড ডে মিল দেওয়া হয়। কিন্তু গরমের ছুটির পর স্কুল খুলতেই ওই স্কুলে মিড ডে মিল খাওয়ার মতো পড়ুয়া পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ, মিড ডে মিলের বরাত পাওয়া ব্যক্তি দলিত বলে, তাই তাঁর হাতের রান্না খেতে চাইছে না পড়ুয়ারা।

দলিত রাঁধুনির করা রান্না বয়কট পড়ুয়াদের,নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত
দলিত রাঁধুনির করা রান্না বয়কট পড়ুয়াদের,নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত

সূত্রের খবর, গুজরাটের মরবি এলাকায় ওই স্কুলে কোলি, ভারোয়াদ, ঠাকুর সহ নানা সম্প্রদায়ের শিশুরা পড়াশোনা করে। তারা মূলত ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত। তারাই মিড-ডে মিলের খাবার খেতে অস্বীকার করেছে।ওই স্কুলের অধ্যক্ষ বিন্দিয়া রত্নত্তোর জানিয়েছেন, আমরা দুটি মিটিং করেছি অভিভাবকদের সঙ্গে। আমরা তাঁদের বুঝিয়েছি সকলেই সমান। নীচু, উঁচু বলে কিছু নেই। কিন্তু তবু তাঁরা বুঝতে চাইছেন না।

দলিত রাঁধুনির করা রান্না বয়কট পড়ুয়াদের,নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত
দলিত রাঁধুনির করা রান্না বয়কট পড়ুয়াদের,নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত

দলিত রাঁধুনির করা রান্না বয়কট পড়ুয়াদের,নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত

দলিত রাঁধুনির করা রান্না বয়কট পড়ুয়াদের,নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত
দলিত রাঁধুনির করা রান্না বয়কট পড়ুয়াদের,নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত

জানা গেছে, গরমের ছুটির আগেই ওই দলিত দম্পতি এই স্কুলের মিড ডে মিলের দায়িত্ব পান ওই দম্পতি। এই স্কুলের রান্নার কাজ করতেন স্ত্রী আর খাবার দিতেন তাঁর স্বামী। তাঁর স্বামী জানান,”ছুটির পর প্রথম দিন স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমার স্ত্রীকে ১০০ জন পড়ুয়ার জন্য রান্না করতে বলেন। কিন্তু সে দিন মাত্র সাত জন পড়ুয়া খেতে আসে। তারা সকলেই তফশিলি জাতিভুক্ত। দ্বিতীয় দিন প্রধান শিক্ষক ৫০ জনের রান্না করতে বলেন। খেতে আসে শুধু কয়েক জন দলিত পড়ুয়া।’’ তবে অন্যদিকে তাঁর স্বামীর দাবি, পুলিশও এনিয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে না। তারা বলছে এটা প্রশাসন আর স্কুলের ব্যাপার।