নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের আবহে মুখ্যসচিবকে তলব করলেন সিভি আনন্দ বোস। মঙ্গলবার বেলায় রাজভবনে পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যসচিব। হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীর সঙ্গে জরুরি বৈঠক হবে বলেই খবর। তবে এই তলব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: RANI-AKSHAY: কেন অক্ষয় এবং রানিকে তিন দশকেও একসঙ্গে কোন সিনেমায় দেখা যায়নি? উঠে এলো বিস্ফোরক তথ্য


সূত্রে খবর, এদিন মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী হাওড়ার শিবপুর এবং হুগলির রিষড়ায় অশান্তির ঘটনা নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছে। রামনবমীর পরপর হাওড়ায় অশান্তির ঘটনায় সরব হয়েছিলেন রাজ্যপাল। রিষড়ায় অশান্তির পরও অশান্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। এরপরই মুখ্যসচিবের কাছ থেকে দুই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠান তিনি।

হাওড়ার শিবপুরে অশান্তির পর রিষড়ায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উত্তরবঙ্গ সফরে কাটছাট করে ফিরে আসেন রাজ্যপাল। সেখান থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান তিনি। শিবপুর এবং রিষড়ায় অশান্তির ঘটনায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গত শনিবার রাজ্যে এসেছিল ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। কিন্তু পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। রবিবার হাওড়ার উদ্দেশে গিয়েও একইভাবে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। যদিও সমগ্র অশান্তির ঘটনায় বিজেপিকেই দায়ী করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যসচিবকে জরুরি তলব রাজ্যপালের, রাজভবনে হাজির মুখ্যসচিব

বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্কের তিক্ততা দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সিভি আনন্দ বোস রাজ্যপাল হয়ে বাংলায় আসার পর তাঁর মুখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা শোনা যায়। এনিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি। যদিও পরবর্তীকালে সম্পর্কে চিড় ধরতে দেখা যায়। এমনকি কয়েকদিন আগেই রাজভবনের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়। সাপ্তাহিক রিপোর্টের পাশাপাশি সরাসরি রাজ্যপালের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে বলেও জানানো হয়। এবার তলবকে কেন্দ্র করে কি নতুন কোনও সংঘাত সৃষ্টি হতে চলেছে, এনিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠছে।









