নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে তৃতীয় দফার টিকাকরন। নজিরবিহীন ভাবে কেন্দ্রিয় সরকার ঘোষনা করেছে ১ মে থেকে দেশের ১৮ বছরের বেশি বয়স্করাও পাবেন ভ্যাকসিন। আর রাজ্যসরকারগুলি ভ্যাকসিন কিনতে পারবে টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা থেকে। ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে খোলা বাজারেও। কিন্তু দাম কত হবে তা নিয়ে দোলাচলে ছিল সবাই। এবার সেই ধোঁয়াশা কাটল। কেন্দ্র ভ্যাকসিন পাবে ১৫০ টাকায়, আর রাজ্যকে কিনতে হবে ৪০০ টাকা দিয়ে!
আরো পড়ুনঃ নেই ‘জয়ের শঙ্খ’, বাংলা সাহিত্যজগতের বটবৃক্ষের পতনে শোকাতুর জয় গোঁসাই


এই বেনজির সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে সেরাম ইন্সটিউট। সেরাম কর্তা আদর পুনাওয়ালার রাজ্য সরকারকে ৪০০ টাকা প্রতি ডোজে ভ্যাকসিন দেবে বলে জানিয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলি ভ্যাকসিন পাবে ডোজ পিছু ৬০০ টাকায়। তবে কেন্দ্রের জন্য অনেকটাই কম দামে ভ্যাকসিন দেবে সংস্থা। সেরাম জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার ১৫০ টাকায় ভ্যাকসিন পাবে ডোজ পিছু। কার্যত একই যাত্রায় পৃথক ফল! একই দেশে দুই সরকারের জন্যে ভিন্ন দাম কেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা যা ভ্যাকসিন উৎপাদন করবে তার ৫০ শতাংশ দিতে হবে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে বাকি ৫০ শতাংশ রাজ্য ও খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে। তারপরেই এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষনা করেছে সেরাম। এদিকে দেশে কোভ্যাক্সিন, কোভিশিল্ড ছাড়াও ছাড়পত্র পেয়েছে রাশিয়ার ভ্যাকসিন স্পুটনিক ভি। বিশ্ব বাজারে স্পুটনিক বিক্রি হয় ৭৫০ টাকার আশপাশে। কিন্তু তা ভারতের ক্ষেত্রে কত দামে পাওয়া যাবে সে বিষয়ে কোন ঘোষণা সামনে আসেনি। দেশীয় কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রেও তাই।
দেশে আপাতত কোভিশিল্ড বিক্রি হবে খোলা বাজারে। দাম হতে পারে বেসরকারি হাসপাতালের মতই ডোজ পিছু ৬০০ টাকা। কেন্দ্র ভ্যাকসিন পাবে ১৫০ টাকায়। রাজ্যসরকারকে সেই একই ভ্যাক্সিন কিনতে হবে ৪০০ টাকা প্রতি ডোজ পিছু। কিন্তু কেন এত টাকার বৈষম্য? সে বিষয়ে মুখ খোলেনি সেরাম।










