নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশে ফের দৈনিক সংক্রমণ ৪ লাখের বেশি, এই নিয়ে পর পর তিনদিন। কোনভাবেই ঠেকানো যাচ্ছেনা দেশের করনার সংক্রমণ। গত বছরের প্রথম ঢেউয়ের কাছে এই বিপর্যস্তু অবস্থা হয়নি দেশের। এই মুহুর্তে কনোভাবেই থামছে না সংক্রমণ। একদিনে মাত্রা অল্প কমলেও তার পরের দিনই বাড়ছে আরও আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যের প্রশাসন তৎপর। চলছে আংশিক বা পূর্ণ লকডাউন।
আরও পড়ুনঃ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য ঘোষিত হল ভারতীয় দল।


দেশ জুড়ে বাড়ছে অক্সিজেনের হাহাকার। একাধিক জায়গায় হাসপাতাল,সেফ হোম তৈরি হলেও সেগুলি পর্যাপ্ত নয়। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী করোনার সঙ্গে দোসর হয়েছে কালো ছত্রাক। আরো ভয়ঙ্কর হচ্ছে পরিস্থিতি দিন দিন। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্র, কেরল, দিল্লি এবং কর্ণাটকের দৈনিক সংক্রমণ সবথেকে বেশি। বাকি সবা রাজ্যের কম বেশি অবস্থা প্রায় একই। এই মুহুর্তে অষ্টম স্থানে বাংলা, আক্রান্তের সংখ্যা ৯,৫৪,২৮২ এবং মৃত্যুর সংখ্যা ১২,০৭৬।
গত বছর প্রথম ভাগে এই ভাইরাস প্রাশ্চাত্যের সব দেশে প্রভাব ফেললেও, দ্বিতীয় ঢেউয়ের কাছে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে ভারত। প্রতিবেশী দেশেগুলির সহায়তাতেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লক্ষ ১ হাজার ৭৮ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ২ কোটি ১৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৬৭৬। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪,১৮৭ জনের। পুরনো সব রেকর্ড ভেঙেছে গত ২৪ ঘন্তার মৃত্যু মিছিল। এখনও পর্যন্ত করোনার বলি হয়েছেন ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ২৬৬ জন।
দেশে ফের দৈনিক সংক্রমণ ৪ লাখের বেশি, তবে কোভিড আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১,৭৯,১৭,০৮৫ জন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই মুহুর্তে দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ লক্ষ ২১ হাজার ৮৮২ জন। দেশে সুস্থতার হার ৮১.৯ শতাংশ। আর এখনও পর্যন্ত টিকাকারণ হয়েছে ১৬ কোটি ৭৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৪৪ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে টিকা পেয়েছেন ২৩ লক্ষ ৭৩ হাজার ৪৮৬ জন।









