নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা ভাইরাসের নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট এখন ভয় দেখাচ্ছে। ওমিক্রনের এর প্রথম কেস ২ ডিসেম্বর দেশে প্রথম ধরা পড়ে এবং এখন ২৩ টি কেস রয়েছে । অর্থাৎ ৫ দিনে ১০ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রনণ। মাত্র ৫ দিনে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা ওমিক্রন দেশের ৫ রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। মহারাষ্ট্রে ১০ জন, রাজস্থানে ৯ জন, কর্ণাটকে ২ জন, দিল্লি এবং গুজরাতে ১-১ জন রোগী পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুনঃ ওমিক্রন ঠেকাতে ফের লকডাউন? জানুয়ারিতে তৃতীয় ঢেউয়ের পূর্বাভাস।


এই পরিস্তিতিতেই সোমবার সাংবাদিকদকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন দিল্লির স্বাস্থ্য মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, দিল্লি সরকার বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছে। পরিস্থিতি ও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।ওমিক্রন নিয়ে গবেষণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং ভ্যারিয়েন্টটি সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত খুব বেশি কিছু জানা যায়নি।

ভারত এবং অন্যান্য দেশে ওমিক্রনে আক্রান্তদের মধ্যে পাওয়া উপসর্গগুলি পর্যালোচনা করার পর যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাতে দেখা গিয়েছে ওমিক্রনের উপসর্গগুলি সাধারণ সর্দি-কাশির মতোই। করোনার অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টগুলির উপসর্গের থেকে অনেকটাই আলাদা। তবে তার মধ্যেও অনেকটা স্বস্তিজনক দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যানে অন্তত সে প্রমাণই পাওয়া যাচ্ছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬ হাজার ৮২২ জন করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। যা গতকালের তুলনায় বেশ খানিকটা কম। এদিকে মারণ ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে প্রাণ হারিয়েছেন ২২০ জন। এখনও পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭৫৭ জন।বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগী ৯৫ হাজার ১৪ জন।


ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের মাঝেই কমল দেশের করোনা সংক্রমণ
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ৭৯ হাজার ৬১২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৪ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে প্রায় ১২৮ কোটি ৭৬ লক্ষেরও বেশি ডোজ করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গতকালই ভ্যাকসিন পেয়েছেন ৭৯ লক্ষের বেশি।







