নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য সরকারের চাপ বাড়ল! এবার ৪০০ নয়, মমতাকে ৬০০ টাকায় কিনতে হবে ভারতের নিজস্ব ভ্যাকসিন! কদিন আগেই কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নেয় আগামী ১ মে থেকে ১৮ উর্ধ্ব ব্যক্তিদেরও টিকা দেওয়া যাবে, এবং এবার থেকে ভ্যাকসিন খোলা বাজারে বিক্রি করতে পারবে প্রস্তুতকারী সংস্থারা। পাশাপাশি রাজ্যসরকার সরাসরি ভ্যাকসিন কিনে জনগনকে দিতে পারবে।
আরও পড়ুনঃ ১০ শতাংশ সংক্রমণ হলেই লকডাউন, বার্তা দিলেন AIMS-এর ডিরেক্টর।


কেন্দ্রের ঘোষণার পরেই সেরাম কর্তা আদল পুনওয়ালা একই ভ্যাকসিনের ৩ রকম দাম ঘোষনা করেন। সেরামের পক্ষ থেকে বলা হয়। কেন্দ্রীয় সরকার কে তাঁরা ভ্যাকসিন দেবে ডোজ পিছু ১৫০ টাকা। কিন্তু সেই একই ভ্যাকসিনের জন্যে রাজ্য সরকার কে দিতে হবে ৪০০ টাকা। এখানেই শেষ নয়, আদর কঠোর ভাবে জানান বেসরকারি হাসপাতাল গুলোর জন্যে ডোজ পিছু দাম ধার্য করা হয়েছে ৬০০ টাকা। এই ঘোষণার পরেই ব্যাপক ক্ষুব্ধ হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কিন্ত এবার যে ঘোষণা সামনে এল সেতা আরও ভয়ানক। এবার ৪০০ নয়, ভারত বায়োটেকের তৈরি দেশি করোনার টিকা ‘কোভ্যাক্সিন’ কিনতে রাজ্য সরকারের খরচ পড়বে ডোজ প্রতি ৬০০ টাকা। শনিবার এই ঘোষণা করেছে ভারত বায়োটেক। রাজ্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলির ক্ষেত্রে এক একটি ডোজের দাম ধার্য করা হয়েছে ১২০০ টাকা! যদিও টিকা ভারতসরকার কে কত দামে দেবে তাঁরা তা জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, দুদিন আগেই কোভিশিল্ডের দাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কে চিঠি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার প্রশ্ন, এক দেশে একই ভ্যাকসিনের দামে এত ফারাক কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে। চিঠিতে তিনি লিখেছেন। “এক ভ্যাকসিনের একটাই দাম হবে। একটা ভ্যাকসিনের অনেকগুলো দাম কেন হবে? প্রত্যেকটা ভ্যাকসিন এমারজেন্সি। এটা ব্যবসা করার জায়গা নয়। এক দামে দিতে হবে।”


মমতার প্রশ্ন, কেন কেন্দ্রের তুলনায় ভ্যাকসিনের ডোজ পিছু রাজ্য সরকারগুলিকে ১৬৭ শতাংশ বেশি দাম দিতে হবে? এই সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো এবং গরিব বিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলির জন্য যে দাম ধার্য হয়েছে তাতে কালোবাজারি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন মমতা।








