নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রায় এক বছর পর চিনের কোভিডে মৃত্যু দুই জনের। করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে ঘুম উড়েছে প্রশাসনের। মহামারি শুরুর পর থেকে এই প্রথমবার রেকর্ড সংখ্যক করোনা আক্রান্ত চিনে। সেইসঙ্গে কোভিডে মৃত্যু বাড়াচ্ছে উদ্বেগ।
আরও পড়ুনঃ আসানসোলে তৃণমূলের বিরাট রোড শো, প্রচারে নামছেন শত্রুঘ্ন সিনহা
চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন সূত্রে খবর, দুই জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে জিলিনে। অপরজনের মৃত্যু হয়েছে উত্তর-পূর্ব এলাকায়। যেখানে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী। জানুয়ারি ২০২১ এর পর এই পরথমবার কোভিডে মৃত্যু হয়েছে চিনে। মোট মৃতের সংখ্যা ৪,৬২১ জন।
জিরো কোভিড নীতি নিয়ে ময়দানে নেমেছিল চিন। কিন্তু রবিবার আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪,০৫১ জনে। চিন এবং দক্ষিণ কোরিয়াতে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। একেবারে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে চিনে। বহিরাগতদের প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
২০১৯ সালে চিনের উহান প্রদেশে কোভিড সংক্রমণের পর থেকেই গোটা দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শূ্ন্য নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে চিন। সেজন্য গণহারে কোভিড পরীক্ষা, কঠোর লকডাউন, নিভৃতবাসের মতো পদক্ষেপ করেছে তারা। প্রশাসনের তরফে নেওয়া কড়া পদক্ষেপের কারণে সংক্রমণ কমেছিল অনেকটাই। মৃত্যু হয়নি গত এক বছরেরও বেশি সময়। কিন্তু আবার ওমিক্রনের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চিন্তা বাড়ছে সরকারের।
কোভিডে মৃত্যু বাড়াচ্ছে উদ্বেগ, বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মারন ভাইরাস

বাড়তে থাকা করোনা সংক্রমণের দিকে তাকিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ এবিষয়ে সমস্ত রাজ্যগুলিকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে করোনার টেস্টিং বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে আরও বেশী সংখ্যক মানুষ যাতে করোনার টিকা নিতে পারেন সেই বার্তাই দিয়েছেন তিনি। সমস্ত পদ্ধতি মেনে রিপোর্ট কেন্দ্রের কাছে পাঠানোর জন্য আর্জি জানিয়েছন তিনি। সেইসঙ্গে সমস্ত রাজ্যগুলি যাতে মানুষকে মাস্ক পড়ার এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার নির্দেশ দেয় সেই আর্জি জানিয়েছেন তিনি।



