নজরবন্দি ব্যুরো: ২১এর নির্বাচনের আগে প্রতি ক্ষেত্রেই কড়াকড়ি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। অনেক ক্ষেত্রেই তা ভোট কর্মীদের পক্ষে অনুকূল হচ্ছেনা, আর সেসব ক্ষেত্রে প্রতিবাদ করছেন তাঁরা। নিজেদের ঝুঁকি নিয়ে ভোট করতে যাওয়ায় আরো কড়া পাহারা থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে এর আগেও নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন, প্রতিবাদ করেছেন একাধিক বিষয়ে। প্রিজাইডিং অফিসারের ঘাড়ে চাপানো হল তুঘলকি সিদ্ধান্ত। এই নির্বাচনে স্বাস্থ্য দফতর থেকে নির্দেশিকা এসেছে, ইলেকশন বুথে টাকা থার্মোমিটার খারাপ হলে বা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, সেক্ষেত্রে সেই বুথের প্রিসাইডিং অফিসারকে রিলিজ দেওয়া হবেনা।
এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা জানিয়ে এই নিয়ম প্রত্যাহারের দাবি তুলেছেন শিক্ষক শিক্ষাকর্মী শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে প্রতিটি জেলার ইলেকশন অফিসারদের একটি নির্দেশিকা দিয়ে জানানো হয়েছে প্রতিটি বুথের জন্য একটি করে আই আর থার্মোমিটার দেওয়া হবে। এই থার্মোমিটার যদি হারিয়ে যায় কিংবা ক্ষতিগ্রস্থ হয় তার জন্য দায়ী থাকবেন প্রিজাইডিং অফিসার। সঙ্গে এও বলা হয়েছে এই ধরনের ঘটনা ঘটলে রিলিজ পাবেন না ওই অফিসার।
শিক্ষক শিক্ষাকর্মী শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের রাজ্য সম্পাদক কিংকর অধিকারীর কথায়, যেখানে ভোটগ্রহণের যন্ত্র খারাপ হওয়ার ঘটনা ঘটে থাকে সেখানে একটা থার্মোমিটার খারাপ হবে কি না তার গ্যারান্টি কে নেবে? এই তুঘলকী সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তাঁরা। জানাই এই তাঁদের বক্তব্য এই থার্মোমিটারের দায়িত্ব সেক্টর অফিস অথবা অন্য ভাবে বুথে স্বাস্থ্য কর্মীর কাছে পাঠানো হোক এবং সেখান থেকে বুঝে নিক সেক্টর অফিস। এর দায় প্রিজাইডিং অফিসারের ঘাড়ে চাপানো চলবে না।

এই থার্মোমিটার পোলিং অফিসাররা ব্যবহার করবেন না। ব্যবহার করবেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা। যদি খারাপ হয় তার দায় প্রিজাইডিং অফিসারের ঘাড়ে চাপানো হবে কেন? এই বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। তাঁদের মতে ইচ্ছাকৃত ভাবে কেউ খারাপ করেন না , এই ঘটনায় রিলিজ না দেওয়ার হুমকি অত্যন্ত অপমান জনক। তীব্র প্রতিবাদ জাইয়ে ঐক্য মঞ্চের সদস্যরা এই নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি এই নির্দেশিকা প্রত্যাহার না হলে ভোট কর্মীগণ আর সি থেকে এই থার্মাল গান কোনভাবেই রিসিভ করবেন না।



