নজরবন্দি ব্যুরোঃ ছত্তিসগঢ়ের রাজধানী রায়পুরের পার্শ্ববর্তী জেলা বেমেতারায়, মাটির ঘরে ১৩ বছর বয়সী এক ছেলের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। ওই মৃতদেহটি দেখে গ্রামবাসীরা পুলিশে খবর দেয়। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করলে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের দাবি, ওই গ্রামেরই এক যুবক ছেলেটিকে খুন করেছে। ওই যুবকটি আসলে সমকামী। মৃত্যু হওয়া শিশুটি তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে অস্বীকার করলে তাকে হত্যা করে ওই যুবক।
আরও পড়ুনঃ Delhi: চুল কেটে, মুখে কালি লাগিয়ে ঘোরানো হল গণধর্ষিতাকে, অমানবিক ঘটনার সাক্ষী রাজপথ
বেমেতারা পুলিশ জানিয়েছে, ফারি গ্রামের বাসিন্দা ১৩ বছর বয়সী উমেশ পাতিলের পরিবারের সদস্যরা একটি নিখোঁজ মামলা দায়ের করেছিলেন। ছেলেটির খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এরই মধ্যে গ্রামের অদূরে মুরোমে পুঁতে রাখা এক ছেলের লাশ দেখা যায়। মঙ্গলবার, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করলে, ছেলেটির নাম উমেশ পাতিল বলে জানা যায়। গত ২৪ জানুয়ারি থেকে ছেলেটি নিখোঁজ ছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, উমেশের পা প্যান্টের সঙ্গে বাঁধা ছিল। তদন্তে জানা যায়, পাথরের মতো ভারী বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কোনও অস্ত্র বা অপরাধে ব্যবহৃত কোনও বস্তু এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। পুলিশ তদন্তে জানতে পারে যে, উমেশকে শেষ দেখা যায় ফারি গ্রামের বাসিন্দা ২০ বছর বয়সী পঙ্কজ বিশ্বকর্মার সঙ্গে।
শারীরিক সম্পর্কে অমত, ১৩ বছরের ছেলেকে হত্যা যুবকের

পঙ্কজকে আসামি ভেবে পুলিশ হেফাজতে নেয়। তীব্র জিজ্ঞাসাবাদে শেষ পর্যন্ত অভিযুক্ত ছেলেটিকে হত্যার কথা স্বীকার করে। অভিযুক্ত পুলিশকে জানায় যে সে সমকামী। ছেলেটিকে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দিলেও সে কোনও ভাবেই রাজি হয়নি। এই কারণে তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে ওই যুবক, যাতে তার কথা জানাজানি না হয়ে যায়। সঙ্গত ভাবেই এই ঘটনায় গ্রামবাসীরা যারপরনাই অবাক হয়ে গিয়েছেন।



