নজরবন্দি ব্যুরোঃ কাস্তে ছেড়ে জোড়া ফুল ধরার পথে হাত, ক্রমশ এগোচ্ছে দিল্লি দখলের সমঝোতা এক্সপ্রেস! কদিন আগেই দিল্লিতে রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে বৈঠক করেন প্রশান্ত কিশোর, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেসি বেণুগোপালও। স্বাভাবিক ভাবেই জল্পনা উঠে আসছিল ২৪ এর লক্ষ্যে তৃণমূল এবং কংগ্রেসের কাছাকাছি আসার কথা। তৃণমূল এবং কংগ্রেস দুজনেই দুজনের পরিপূরক হয়ে উঠবে ২৪ নির্বাচনে বলছে রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৮ জনের, বাংলায় ৫২ হাজার টেস্টে সংক্রামিত মাত্র ৭৩০


বাংলায় ২১ নির্বাচনে বামেদের সাথে জোট করার পরেও কোন বিধানসভা কেন্দ্রেই নাম্বার ওয়ান হতে পারেনি কংগ্রেস। বামেদের মত এই প্রথমবার বিধানসভায় নেই কোন কংগ্রেস প্রতিনিধি। হিসেব বলছে ২০২১ নির্বাচনে বিধানসভা ভিত্তিক ফল অনুযায়ী কোন লোকসভা আসনে দ্বিতীয় স্থানেও নেই কংগ্রেস। একই অবস্থা কংগ্রেসের লোকসভার নেতা অধীর চৌধুরীর আসনেও।
একদিকে যখন সর্বভারতীয় রাজনীতিতে মাথা তুলতে গুটি সাজাচ্ছে তৃণমূল তখন বাংলায় অস্তিত্ব রক্ষায় মরিয়া অধীররা। লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সাথে সমঝোতা হলে বাংলায় যত আসন তৃণমূল ছাড়বে কংগ্রেস কে ঠিক একই হারে কংগ্রেস নিজেদের শক্তিশালী যায়গায় আসন ছাড়বে তৃণমূল কে। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে মজবুত হবে তৃণমূল।
কাস্তে ছেড়ে জোড়া ফুল ধরার পথে হাত, সূত্রের খবর বাংলায় আসন্ন বিধানসভার উপ নির্বাচনের আগেই তৃণমূলের সাথে জোটে যেতে যায় কংগ্রেস। ২ টি আসন ছাড়া অন্য আসনে প্রার্থীই দিতে চায়না দেশের সর্বপ্রাচীন দল। যতটুকু শক্তি আছে তা নিয়েই তৃণমূলের পাশে দাঁড়াতে চায় তাঁরা। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও সামসেরগঞ্জে নির্বাচন হয়নি সেখানে প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস। বাকি আরও ৫টি কেন্দ্র দিনহাটা, ভবানীপুর, খড়দহ, শান্তিপুর ও গোসাবায় তৃণমূল কে সমর্থন করার কথা ভাসছে হাওয়ায়।


অন্যদিকে রফাসূত্র এগোলে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে তৃণমূলের পাশে থাকবে কংগ্রেসও। ওয়াকিবহাল মহলের ব্যাখ্যা, মূলত ত্রিপুরা, মেঘালয়, উত্তর প্রদেশ এবং ঝাড়খন্ডে তৃণমূল কে ২৪ লোকসভায় আসন ছাড়তে পারে কংগ্রেস। কিন্তু বামেদের কি হবে? সূত্রের খবর, আগবাড়িয়ে কংগ্রেসের সাথে জোট ভাঙবে না আলিমুদ্দিন। কদিন আগেই সুর্যকান্ত মিশ্র সাফ জানিয়েছেন, প্রত্যেক জেলায় বামফ্রন্ট নেতৃত্ব নিজেদের মতো করে বিজেপি এবং তৃণমূল বিরোধী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে পৌরসভা নির্বাচনে লড়াই করবে।
কাস্তে ছেড়ে জোড়া ফুল ধরার পথে হাত
এদিকে তৃণমূলের অতিবড় সমালোচক অধীর চৌধুরীর গলায় মাঝে মধ্যেই উঠে আসছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের সুর। পাশাপাশি ২১ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল কংগ্রেস পার্টি অফিসেও। পি চিদম্বরম, দিগ্বিজয় সিংয়ের মতো কংগ্রেসের শীর্ষনেতৃত্ব ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দেন সোনিয়া-রাহুলের নির্দেশে। এখন দেখার পাকাপাকি ভাবে কবে জোট ঘোষণা করে দু পক্ষ।







