নজরবন্দি ব্যুরো: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে কুপোকাত করতে বিরোধী দলগুলি একজোট হয়ে গঠন করেছে ‘INDIA’। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধীরা তিনটি বৈঠক সেরে ফেলেছেন। এদিকে বিরোধীদের জোটের নাম ‘ইন্ডিয়া’ হওয়ায় প্রথম থেকেই আপত্তি ছিল বিজেপির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী খোদ এই জোটকে কটাক্ষ করেছেন। এরইমধ্যে এবার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনা হল কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের পোস্ট ঘিরে শুরু আলোচনা।
আরও পড়ুন: একটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও একের পর এক ‘অশান্তি’! কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন। সেখানে দেশের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদ হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর তরফ থেকে যে আমন্ত্রণ পত্র বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয়েছে, তাতে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া’র বদলে লেখা ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। প্রবীণ কংগ্রেস নেতার কথায়, হিন্দি বা বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় এমনিতেই ‘ভারত’ শব্দের উল্লেখ থাকে সরকারি ভাবে। তবে ইংরেজিতে এত বছর ধরে ‘ইন্ডিয়া’ ব্যবহার হয়ে আসছে।

কংগ্রেস মুখপাত্র আরও লেখেন, ”তাহলে খবরটা সত্যি। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জি২০ সম্মেলনের যে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে সেখানে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া’র বদলে লেখা, ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। এখন তো সংবিধানেক ১ নং অনুচ্ছেদ পড়তে হবে, ভারত, যা আগে কি না ইন্ডিয়া ছিল, সব রাজ্যের সমষ্টি। তবে সেই ‘রাজ্যের সমষ্টি’ তো হামলার মুখে পড়েছে।’

উল্লেখ্য, পাটনায় প্রথম বৈঠক হয় বিরোধীদের। এরপর কর্ণাটক এবং তৃতীয় বৈঠক মুম্বইতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দ্বিতীয় বৈঠকেই বিরোধী জোটের নাম রাখা হয় ইন্ডিয়া (Indian National Developmental Inclusive Alliance)। তবে এই জোটকে আক্রমণ শানিয়ে মোদী বলেছিলেন,”ইন্ডিয়ার লেবেল দিয়ে তারা তাদের পুরনো কাজগুলো, ইউপিএ জমানার কাজগুলোকে ধামাচাপা চায়। তারা যদি সত্যিই ভারতের কথা ভাবত, তাহলে কি তারা বিদেশিদের বলত ভারতে হস্তক্ষেপ করতে?”
ইন্ডিয়া নয় ভারত, সরকারিভাবে দেশের নাম পরিবর্তন! বিস্ফোরক অভিযোগ কংগ্রেসের




