নজরবন্দি ব্যুরোঃ সিগারেট স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক, তার চেয়েও ক্ষতিকারক ‘গেরুয়া’! ভোটের আগে ঠিক এমন পোস্টারই দেখা গিয়েছে দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায়। বাংলার ২১ এর নির্বাচনে বারবার নজর কেড়েছে স্লোগান আর ট্যাগ লাইন। শাসক দল থেকে বিরোধী দল, একে অপরকে টেক্কা দিতে ময়দানে এনেছে নতুন নতুন স্লোগান।
আরও পড়ুনঃ নজরে নির্বাচন, ষষ্ঠ দফার ভোটের দিন অশান্তি এড়াতে বন্ধ থাকবে পেট্রোপোল বর্ডার


তবে এই পোস্টার একেবারে নতুন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দক্ষিণ কলকাতার হাজরা, কালীঘাট থেকে শুরু করে নিউ আলিপুর, যাদবপুর থানা, লেকগার্ডেন্স বা রাসবিহারী মোড়, চা দোকানের সামনে গেলেই চোখে পড়ছে এই অভিনব পোস্টার। যেকাহ্নে লেখা আছে চা স্বাস্থ্যর পক্ষে ভালো, কোথাও বা আবার লেখা আছে সিগারেট স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। তবে উল্লেখযোগ্য হলো সব পোস্টারে ট্যাগ লাইন হিসেবে লেখা আছে ‘গেরুয়া’ স্বাস্থ্য এবং পরিবার উভয়ের জন্যই ক্ষতিকারক।
আরও বড়ো বিষয় এই পোস্টারে কাকে ভোট দেবেন বা এই জাতীয় কিছু লেখা নেই। পোস্টারের ওপর ছবি আছে রাসবিহারীর তৃনমূল কংগ্রেসের প্রার্থী দেবাশিস কুমার এবং তৃনমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধায়ের। হানাহানি এবং আক্রমনের রাজনীতির অলিন্দে এই অভিনব পোস্টারিং নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা হয়েছে বিস্তর।
ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ মনে করছেন, যেহেতু চা পান করা বাঙালির যাপন থেকে রাজনীতি চর্চা সবকিছুতেই ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে। সেদিক থেকে এই পোস্টার একেবারে অভিনব। তবে প্রার্থী দেবাশিস কুমার জানিয়েছেন এই পোস্টার দলের যুবরা বানিয়েছেন উদ্যোগ নিয়ে বানিয়েছেন। সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন ‘যদি সত্যিকারের গেরুয়া হয় আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু গেরুয়ার নামে সম্পূর্ণ ধর্মান্ধকরণ রাজনীতি ও মানুষে মানুষে ভেদাভেদ তৈরি করে দিচ্ছে।’ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বিজেপি সমর্থকেরা। তবে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত এই বিষয়ে কমিশন বা অন্যত্র কোন অভিযোগ জানাননি গেরুয়া শিবিরের কেউই।









