নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোট চতুর্থীর শীতলকুচি কান্ড, ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রান হারিয়েছিলেন ৪ জন। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গোটা রাজ্য। বিবাদ চলেছিল কেন্দ্র বনাম রাজ্যের। নিহত আহতদের পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, ভোট মিটে যাওয়ার পর সরকারের তরফ থেকে সাহায্য করা হয়ছে তাঁদের।
আরও পড়ুনঃ ভূয়ো অফিসার এফেক্ট, নয়া নিয়মে কেবল ১৪ বিভাগের কর্তারাই পাবেন লাল-নীলবাতি গাড়ি
ঘটনার তদন্তভার গিয়েছে সিআইডির কাছে। ঘটনায় বিশেষ তদন্তদল সিট গঠন করে শুরু হয় তদন্ত। তারপর থেকেই এই ঘটনায় একের পর এক পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের তলব করেছিল সিআইডি। এবার ফের তলব গেল ৬ জওয়ানের কাছে। আগে তলব গেলেও করোনা কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়েছিলেন তাঁরা, জানিয়েছিলেন ভার্চুয়ালি জিজ্ঞাসাবাদে হাজির থাকবেন।
তবে তা মঞ্জুর করেনি তদন্তকারী দল, এই নিয়ে চতুর্থবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে ওই ৬ জনকে। কোন পরিস্থিতিতে তঁদের ওই দিন গুলি চালাতে হয়েছিল, সে ব্যাপারে তাঁদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চায় সিট। কী কারণে গুলি চালানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হল কথা বলে তা জওয়ানদের থেকে জেনে নিতে চান সিআইডি-র অফিসাররা।

রাজ্যে চতুর্থ দফায় ভোটের দিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওই ৬ জওয়ান কোচবিহারের শীতলকুচির ১২৬ নম্বর বুথের দায়িত্বে ছিলেন। সূত্রের খবর আগামী ২ এবং ৩’রা আগস্ট একজন ডেপুটি কম্যাড্যান্ট, চারজন কনস্টেবল ও একজন ইন্সপেক্টরকে আলাদা আলাদা ভাবে জিজ্ঞাসা করবে সিআইডি।

আর সেই কারণেই ওই ৬ জনকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে ভবানীভবনে। প্রসঙ্গত আগের বয়ানে অসঙ্গতি থাকার কারণে গতকাল তৃতীয়বারের জন্য জেরা করা হয় কোচবিহারের তৎকালীন পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরকে। শুক্রবার ভবানী ভবনে যান তিনি, এবং ঘন্টাখানেক জেরা করেন সিআইডি কর্তারা।



