Jharkhand: বিধায়কদের কেনাবেচার টাকা আসে হাওয়ালার মাধ্যমে, শহরে তল্লাশি শুরু করল সিআইডি

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

 নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে বেনজির দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর। তাঁরই ঘনিষ্ঠ এক মহিলার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। এবার সেই ঘটনায় তৎপরতা বাড়াল সিআই ডির অফিসাররা। সিআইডির আধিকারিকদের দাবি বিধায়কদের কেনাবেচার টাকা আসে হাওয়ালার মাধ্যমে। টাকা এসেছিল লালবাজারের এক ব্যবসায়ীর কাছে। সেই ব্যক্তির খোঁজে মঙ্গলবার তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari: পার্থর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন শতাধিক জন, অমিত শাহকে জানালেন শুভেন্দু

জানা গিয়েছে, হেয়ার স্ট্রিটের বিকানের বিল্ডিংয়ে হানা দিয়েছে সিআইডি। হাওয়ালা সংক্রান্ত কোনও নথি, কংগ্রেস বিধায়কদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার কোনও নথি সেখান থেকে পাওয়া যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন সিআইডি কর্তারা। প্রথমে চাবিওয়ালাকে ডেকেও চাবি তৈরি করতে পারেনি সিআইডি। পরে সেখানকার তালা ভেঙে প্রবেশ করে সিআইডি। অথচ খবর পাওয়ার আগেই চম্পট দিল ওই ব্যক্তি।

বিধায়কদের কেনাবেচার টাকা আসে হাওয়ালার মাধ্যমে, উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য 
বিধায়কদের কেনাবেচার টাকা আসে হাওয়ালার মাধ্যমে, উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য 

সিআইডি সূত্রে খবর, হেফাজতে নেওয়া ওই তিন বিধায়ক দাবি করেছেন গত মাসের প্রথম দিকে তাঁরা অসমে গিয়েছিলেন। সেখানে এক মধ্যস্থতাকারীর উপস্থিতিতে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে। ধৃত তিন বিধায়কদের নাম রাজেশ কাচ্ছাপ ও নমন কোঙ্গারি, ইরফান আনসারি।  তিনজনের প্রথমে বিমানে করে আসার কথা ছিল। কিন্তু বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে বিমানে করে আসলে ধরা পড়ার সম্ভাবনা ছিল বলে অন্যহাত হয়ে টাকা ঘুরেছিল।

সূত্রের খবর, ওই তিন কংগ্রেস বিধায়কদের কাছে টাকা গেছে ওই অফিস থেকে। এক বাইক আরোহীর মাধ্যমে টাকা পৌঁছে গিয়েছিল। আশেপাশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন আধিকারিকরা। আর কোনও ব্যক্তিরা আসতেন কি না জানতে চাওয়া হচ্ছে।

বিধায়কদের কেনাবেচার টাকা আসে হাওয়ালার মাধ্যমে, উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য 

বিধায়কদের কেনাবেচার টাকা আসে হাওয়ালার মাধ্যমে, উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য 
বিধায়কদের কেনাবেচার টাকা আসে হাওয়ালার মাধ্যমে, উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য 

শনিবার হাওড়ার পাঁচলার একটি গাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করে পরে তাঁদেরকে আটক করা হয়। গাড়ির মধ্যে থাকা সকলকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার বিকেলেই বার্মোর বিধায়ক কুমার জয়মঙ্গল সিং বলেন, ঐ তিন জন বিধায়কদের তরফে দলবদলের প্রস্তাব এসেছিল। বলা হয়েছিল বিধায়কদের অসমে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রত্যেক দলবদলু বিধায়কদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১০ কোটি টাকা এবং মন্ত্রীপদ। এরপরেই বেড়েছে সিআইডির তৎপরতা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত