নজরবন্দি ব্যুরো: চিনে প্রবলভাবে ছড়াচ্ছে রহস্যজনক নিউমোনিয়া। শ্বাসকষ্টজনিত এই সংক্রমণে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে মূলত শিশুরা। বেজিং-সহ উত্তর চিনের একাধিক প্রদেশে ইতিমধ্যেই এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। চিনের এই পরিস্থিতি দেখে দেশের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় সরকার।
আরও পড়ুন: ইতিহাসের পাতায় গুরুত্বপূর্ণ ৩০ নভেম্বর, জেনে নিন আজকের দিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী


তার সাথে রাজস্থান, কর্নাটক, গুজরাট, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা ও তামিলনাড়ু সরকারের তরফেও সতর্কতা জারি করা হল। আর এই সতর্কতা জারির সাথে সাথে জল্পনা শুরু হয়েছে তাহলে কি করোনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে ফের? শীতের শুরুতেই বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া এবং শ্বাসকষ্টজনিত নানা রোগ।

চিনে এই রোগের প্রকোপ দেখা দিতেই তাই বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিভিন্ন হাসপাতালের পরিকাঠামো ঠিক করার কথা জন্য নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কোভিডের সময় যেভাবে মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এখানেও সেভাবেই ঘর গোছানোর কথা বলেছে কেন্দ্র। চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় পরিকাঠামো, যেমন হাসপাতালের বেড, ওষুধ, ইনফ্লুয়েঞ্জার জন্য টিকা, মেডিক্য়াল অক্সিজেন, অ্যান্টিবায়োটিক, পিপিই কিটের মতো সামগ্রী সব পর্যাপ্ত যাতে থাকে তা দেখতে বলা হয়েছে।



উল্লেখ্য শুক্রবারও একটি বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছিল, চিনে নিউমোনিয়া সংক্রমণের গতিপ্রকৃতির দিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে, ভারত যে কোনওরকম পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত বলেও জানানো হয়েছিল। তবে জানা গিয়েছে, এই মরশুমি ফ্লু একটি সংক্রামক রোগ। সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়। অসুস্থতা এবং মৃত্যুর হার কম। কর্নাটক স্বাস্থ্যদপ্তর রাজ্যবাসীকে মরশুমি ফ্লু থেকেও সতর্ক থাকতে বলেছে। সংক্রমণ এড়াতে কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়, তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
চিনা নিউমোনিয়ার আশঙ্কা, দেশের ৬ রাজ্যে জারি সতর্কতা

রাজস্থানের স্বাস্থ্যদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান সচিব শুভ্রা সিং জানান, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক না হলেও ঝুঁকি নিতে চাইছি না। এলাকায় নজরদারির জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করার জন্যই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আধিকারিকদের।







