নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুল সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে গরমের ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্তে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলা দায়ের করেছিল বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সেই মামলায় স্কুল ছুটি নিয়ে এবার রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট।
আরও পড়ুনঃ “বাংলার সাহিত্য সমাজ, তুমি চেতনা হারাইয়াছ?” মমতার পুরষ্কার প্রাপ্তিতে খোঁচা শুভেন্দুর


মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে চলে শুনানি। শুনানি চলাকালীন স্কুল ছুটি এগিয়ে আনার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন মামলাকারীর আইনজীবী। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার আবহাওয়া দফতরের সঙ্গে পরামর্শ না করেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে ছুটির কথা ঘোষণা করেছে।
পাল্টা অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, এটা রাজ্যের শিক্ষা দাফতরের বিষয় হলেও ছাত্র ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই গরমে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে পড়ুয়ারা। ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধে-অসুবিধে দেখার দায়িত্বে রাজ্যের।



রাজ্য সরকারের তরফে ২ মে থেকে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। চলভে ১৫ জুন অবধি। কিন্তু তখন থেকেই কিন্তু আবহাওয়ার পুর্বাভাস ছিল, ২ মে থেকে রাজ্যে তাপপ্রবাহ অনেকটা কমতে পারে। এতেই মনে করা হচ্ছে দীর্ঘদিন পর স্কুল খুললেও ফের ছুটি ঘোষণা করায় ক্ষতি পড়ুয়াদের হবে।
এপ্রসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে ওড়িশার প্রসঙ্গ। যেখানে ৩০ দিনের ছুটিতে আরও দশ দিন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২ বছর পর স্কুল খুললে ধীরে ধীরে গতি পাচ্ছে পড়াশুনা। তাই স্কুলের ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবীন পট্টনায়কের সরকার। একই দাবীতে এদিন কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্কুল ছুটি নিয়ে এবার রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব, নির্দেশ হাইকোর্টের

এর আগে সরকারকে স্কুল ছুটির সিদ্ধান্তে পুনরায় বিবেচনার আর্জি জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে চিঠি দেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তাঁর বক্তব্য ছিল, উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার পরিস্থিতি দক্ষিণবঙ্গের মতো এক নয়। তাই সরকার ভেবে দেখুক বিষয়টি।







