Group C: সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ, গ্রুপ সি দুর্নীতি তদন্তে নামছে সিবিআই

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ সি নিয়োগের ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ। সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি আনন্দকুমার মুখ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে সিঙ্গেল বেঞ্চ সীমা অতিক্রম করছে না।

আরও পড়ুনঃ মিলছে না জল, মমতার যাত্রাপথে বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা

এদিন মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশকে বলবৎ করা হয়েছে। অর্থাৎ সিবিআই তদন্তের নির্দেশে মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোরড়টের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৯ সালে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে সুপার কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাঁরা জড়িত। মন্ত্রীও এই ঘটনায় জড়িত। যে পরিমাণ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে তা তদন্ত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

একইসঙ্গে প্রাক্তন বিচারপতি আরকে বাগের নেতৃত্বে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির রিপোর্ট সিঙ্গেল বেঞ্চের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে আগামী দিনে তদন্ত হবে বলে জানিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে আর্থিক দুর্নীতি খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশে কোনও ভুল নেই বলেও জানানো হয়েছে।

স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ সি নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ করেছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আরকে বাগের কমিটি। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি আনন্দকুমার মুখ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে বাগ কমিটির আইনজীবী রিপোর্ট পেশ করে৷

রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৩৮১ জনকে ভুয়ো নিয়োগ করা হয়েছে। তার মধ্যে ২২২ জন পরীক্ষাই দেননি। বাকিরা পাশ করেনি। যে প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়েছে তার মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৯ সালের মে মাসে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক শান্তিপ্রসাদ সিনহার সুপারিশেই ভুয়ো নিয়োগপত্র তৈরি করেন পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়।

সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ, নাম জড়াল মন্ত্রীর 
সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ, নাম জড়াল মন্ত্রীর

অভিযোগ, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় পেন্ডিং রিক্রুটমেন্ট শেষ করতে বলেন। তাঁর নির্দেশেই পাঁচ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয়। নম্বর বাড়িয়ে ওএমআর শিটে গণ্ডগোল করা হয়েছে দাবী আইনজীবী অরুণাভ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন ১১ জন স্কুল সার্ভিস কমিশনের কর্তা। তাঁরা হলেন, সমরজিৎ আচার্য, কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সৌমিত্র সরকার, অশোককুমার সাহা, সুবীরেশ ভট্টাচার্য, শর্মিলা মিত্র, শুভজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শেখ সিরাজউদ্দিন, মহুয়া বিশ্বাস, রাজেশ লায়েক এবং ধ্রুব চক্রবর্তী।

Calcutta High Court - Home

এর আগে গ্রুপ সি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশেই রিপোর্ট পেশ করেছে প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগের নেতৃত্বাধীন কমিটি৷ রিপোর্টে দুর্নীতি কথাও উঠে এসেছে।

সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ, নাম জড়াল মন্ত্রীর 

সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ, নাম জড়াল মন্ত্রীর 
সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ, নাম জড়াল মন্ত্রীর

ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যের তরফে বারবার বলা হছিল সিঙ্গেল বেঞ্চের সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়নি। সেখানে ডিভিশন বেঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, হাজার হাজার হাজার চাকরীপ্রার্থীরা প্রভাবিত হয়েছে। তাই সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শুনে রায় দিতে হবে, এমনটা বাধ্যবাধকতা নেই।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন