তৃণমূল কংগ্রেসে বড় সাংগঠনিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। দলের রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। শুধু পদত্যাগই নয়, তৃণমূল এবং তার বিভিন্ন শাখা সংগঠনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সিগনেটরি হিসেবে থাকা দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি চেয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-কে চিঠি পাঠিয়েছেন চন্দ্রিমা।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৩ জুন তাঁকে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। বিষয়টি জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে।
শুধু রাজ্য সভাপতির পদ নয়, তৃণমূল কংগ্রেস এবং দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সিগনেটরি হিসেবেও আর থাকতে চান না চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সেই দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছেন তিনি।
এছাড়াও ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)-এর কাছে তৃণমূলের প্রতিনিধি হিসেবে যে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতেন, সেটিও আর চালিয়ে যাবেন না বলে জানিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের এই সিদ্ধান্তের কারণ সম্পর্কে এখনও প্রকাশ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তাঁর পদত্যাগপত্র নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের তরফেও এখনও বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।
এই নিয়ে ঋতব্রত ব্যানার্জীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ”প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে পান থেকে চুন খসলেই রক্তচক্ষুর মুখে পড়তে হত। সেই সংস্কৃতি এখন অতীত। তাই কেউ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির সংস্পর্শে থাকতে চান না।’’
চন্দ্রিমাকে বার বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। মমতা-পন্থী তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানান, চিঠি না দেখে তিনি কিছু বলবেন না। এখনও চিঠি তাঁর হাতে পৌঁছোয়নি।






