নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা যুদ্ধে জয়ীদের জীবনদায়ী প্লাজমা দানে নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের। গোটা দেশে লাগামছাড়া করোনা পরিস্থিতি। বেশ কিছু রাজ্য সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে ইতিমধ্যেই হেঁটেছে সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই সাড়ে তিন লক্ষ পার করেছে। অক্সিজেন ও বেডের কার্যত হাহাকার চলছে।
আরও পড়ুনঃ মজুত বোমা থেকে উড়ল শৌচাগারের ছাদ, ঘটনার কেন্দ্র ফের সেই নানুর।
অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যুর একের পর এক ঘটনা উঠে আসছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। এমন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য জীবনদায়ী প্লাজমা। যে প্লাজমা পাওয়া যায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির মধ্যে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার অ্যাণ্টিবডি রয়েছে যে প্লাজমায়। করোনাকে হারিয়ে ওঠা সেই সমস্ত ব্যক্তিদের নিজেদের প্লাজমা দানের জন্য এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রক। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কি কি নয়া গাইডলাইন রয়েছে কেন্দ্রের এই নির্দেশিকায়।
১. যেদিন প্লাজমা দান করবেন, তার গত ৪ মাসের মধ্য়ে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে আধার কার্ড। ২. করোনা রিপোর্ট আসার ১৪ দিন পরে অথবা উপসর্গ দেখা যাওয়ার ১৪ দিন পরেই প্লাজমা দান করা যাবে। ১৪ দিনের আগে নয়। ৩. গর্ভবতী মহিলা প্লাজমা দান করতে পারবেন না। ৪. যিনি টিকা নিয়েছেন, তিনি আগামী ২৮ দিন প্লাজমা দান করতে পারবেন না। ৫. রক্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিবডি না থাকলে প্লাজমা দান করতে পারবেন না। ৬. প্লাজমা দেওয়ার আগে আর কোনও তথ্য জানার থাকলে আগে হাসপাতালে যোগাযোগ করে জেনে নিতে হবে।
করোনা যুদ্ধে জয়ীদের জীবনদায়ী প্লাজমা দানে নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের। করোনা রোগীদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর এই প্লাজমা। তাই করোনার প্রকোপ আটকাতে প্লাজমার প্রভাব ভালই বুঝেছে কেন্দ্র। তাই এই নির্দেশিকার মাধ্যমে মানুষকে প্লাজমা দানে আরও উৎসাহ দিল কেন্দ্র বলেই মনে করা হচ্ছে।



