নজরবন্দি ব্যুরোঃ বগটুইকাণ্ডে নৃশংস হত্যার সময় কোথায় ছিলেন আনারুল? তাঁর কাছে কোনও ফোন এসেছিল কি না? সমস্ত কিছু জানার জন্যই তৃণমূল নেতা আনারুলের বয়ান নেবে সিবিআই। একইসঙ্গে যারা বগটুই গ্রাম ছেড়ে বাতাসপুরে উপস্থিত হয়েছে তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হবে। একইসঙ্গে যারা আহত তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হবে।
আরও পড়ুনঃ Anis Khan Death: আনিস খানের মৃত্যুর প্রতিবাদে মিছিলে কংগ্রেস, নেতৃত্বে অধীর রঞ্জন চৌধুরী


উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে পাঠানো হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। একই সঙ্গে ঘটনায় বয়ান রেকর্ড করা হবে গ্রামবাসীদের। গ্রামবাসীদের ডেকে দোষীদের শনাক্তকরণের চেষ্টা করা হবে। সিবিআই সূত্রে খবর, গ্রামবাসীদের ফুটেজ দেখিয়ে শনাক্তকরণ করা হবে। বাণি শেখ এবং ফটিক শেখের বাড়িতে ইতিমধ্যেই নমুনা সংগ্রহ করেছে সিবিআই।

বগটুইকাণ্ডে এই মুহুর্তে চার জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে তিন জন মহিলা এবং একজন নাবালক। সবচেয়ে বেশী অগ্নীদগ্ধ অবস্থায় রয়েছেন এক মহিলা। তিনি ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী। এছাড়াও রয়েছে, আতাহারা বিবি, বুলবুলি খাতুন এবং ১১ বছরের নাবালকের বয়ান নেওয়া হবে। সিবিআইয়ের ডিআইজি অখিলেশ কুমার সিংয়ের নেতৃত্বে বয়ান নেওয়ার কাজ শুরু করা হবে।


ঘটনার দিন জনকে উদ্ধার করেছিল দমকল বাহিনী। এরমধ্যে সিটকে দুই মহিলার বয়ানে উঠে এসেছে তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেনের বক্তব্য। তাই দুই জনের বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। একাধিক নাম উঠে আসতে পারে। আনারুল হোসেনের ভূমিকা কী? তা জানতে পারা যেতে পারে।
তৃণমূল নেতা আনারুলের বয়ান নেবে সিবিআই, খতিয়ে দেখা হবে সিসিটিভি ফুটেজ

রামপুরহাটকাণ্ডে তদন্তকারী সিবিআই অফিসারদের জন্য এবার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করল কেন্দ্র। পাঠানো হল এক প্ল্যাটুন কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাহিনীতে থাকছেন ৩৫ জন সিআরপিএফ জওয়ান। রাজ্য পুলিশের ওপর আস্থা নেই। সূত্রের খবর, রামপুরহাটকাণ্ডের তদন্তকারী সিবিআই অফিসারদের সঙ্গেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাদের জন্য আলাদা ব্যারাক তৈরি করা হচ্ছে।







