আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের খুন ধর্ষণ কাণ্ডে একের পর এক জট খুলছে সিবিআই। এবার সিবি আইয়ের নজরে সল্টলেকের একটি হোটেল। এবার সেই হটেলের দুই কর্মীকে সিবিআই অফিসে তলব করা হল। চাওয়া হয়েছে ওই হোটেলের রেজিস্ট্রার ও সিসিটিভি ফুটেজ। বৃহস্পতিবার সেই মতই সিজিও কমপ্লেক্সে প্রবেশ করে এই দুই হোটেল কর্মী। সঙ্গে একটি লগ বুকও লক্ষ্য করা যায় তাদের হাতে।
হোটেল কর্মীর সিবিআইয়ের কয়েকজন অফিসার তাদের ওই সল্টলেক সেক্টর ২-এর অফিসে যায়। এবং সেখানে গিয়ে। ৯ তারিখের রাতের কোন একজন ব্যক্তি যিনি ওই রাতে এই হোটেলে উঠেছিলেন এবং পরের দিনই সেখান থেকে বেরিয়ে যান। যার ভিত্তিতেই তথ্য সংগ্রহের জন্য সিবিআইয়ের আধিকারিকেরা তাদের হোটেলে আসেন। আর সেই বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য হোটেলের দুই কর্মীকে নোটিস তলব করা হয় সিবি আইয়ের তরফে। যে নটিসে স্পষ্ট বলা হয়, হোটেলের ভিজিটর বুক ও নথি নিয়ে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে। আর সেই মতই এদিন প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন এই হোটেল কর্মীরা।
সিবিআই সূত্রে খবর ঘটনার দিন রাতে একটি অ্যাপের মাধ্যমে এই হোটেল বুকিং করা হয়। একটি বাজেয়াপ্ত করা মোবাইল ফোন থেক সেই সুত্রই উঠে আসছে। অর্থাৎ ঘটনার দিন রাতে হোটেলে কে এসে উঠেছিল তারই খোঁজে তদন্তে নেমেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এক হোটেল কর্মী জানান ৯ই আগস্ট রাতে যে অতিথি হোটেলে উঠেছিল তাঁর নাম আশিস কুমার পাণ্ডে।
মূলত আরজি কর কাণ্ডে প্রথম থেকেই একটি বিষয় নিয়ে ধন্দ তৈরি হচ্ছিল। জোরাল দাবি করেছিল নির্যাতিতার বাবা-মা থেকে শুরু করে চিকিৎসকদের একাধিক সংগঠনের তরফেও। যেভাবে তিলোত্তমাকে অত্যাচার করা হয়েছে, তা কারোর একার পক্ষে নয় করা সম্ভব নয়, এ সওয়াল প্রথম থেকে একাধিক মহলে উঠেছে। এবার তারই তদন্তে নেমে ওই একাধিক ব্যক্তির তল্লাশি অভিযানে সিবিআই। ইতিমধ্যেই আরজি কর কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছে ৩জন। এবার আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তারই তদন্ত চলছে।



