নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের চলতি সপ্তাহে বীরভূমে অভিযান সিবিআইয়ের। শুক্রবার সকালে বোলপুরের একটি রাইস মিলে উপস্থিত হয় সিবিআইয়ের একটি টিম। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে টালাবাহানার পর এখন নথি খতিয়ে দেখার কাজ করছেন সিবিআই কর্তারা। অভিযোগ, ভিতর থেকে বন্ধ করা দরজায় বারবার ধাক্কা মারা সত্ত্বেও কেউ দরজা খোলেনি দীর্ঘক্ষণ।
আরও পড়ুনঃ Corona Update: ফের বাড়ল দেশের করোনা সংক্রমণ, নিম্নমুখী অ্যাকটিভ কেস


রাইস মিলে উপস্থিত হয় সিবিআইয়ের গাড়ি। অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয় সিবিআই আধিকারিকদের। গাড়ি থেকে নেমে ডাকাডাকি করলেও কেউ সাড়া দেননি। প্রায় ৪০ মিনিট এ ভাবেই বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁরা। পরে ভিতর থেকে নিরাপত্তারক্ষী দরজা খুলে দেন।

অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করে ফ্রিজ করা হয়েছে প্রায় ১৭ কোটি টাকা। সেই টাকার উৎস জানতে সিবিআই বোলপুরে উপস্থিত হয়েছে। শুক্রবার বোলপুরে ভোলে ব্যোম নামে একটি রাইস মিলে ঢোকেন সিবিআই আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, এই মিলের মালিকানা রয়েছে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে এবং স্ত্রীর নামে।
ইতিমধ্যেই ওই রাইস মিলের মধ্যে একাধিক গাড়ি মিলেছে। রাইস মিলের ভিতর একাধিক গাড়ি কার? না নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর ২০১১ সালের আগে অবধি রাইস মিলের মালিকানা ছিল অন্য কারও হাতে। পরে তা অনুব্রত মণ্ডল কিনে নেন। এর অংশীদার হন ছবি মণ্ডল, যিনি অনুব্রত মণ্ডলের প্রয়াত স্ত্রীর। বাকি ৫০ শতাংশ মালিকানা অনুব্রত-কন্যা সুকন্যার। গোটা বিষয়টি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।


রাইস মিলের ভিতর একাধিক গাড়ি কার? প্রশ্ন উঠছে

উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার অনুব্রত মণ্ডলের নীচুপট্টির বাড়িতে উপস্থিত হন সিবিআই আধিকারিকরা। কিন্তু মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সুকন্যা কিছু বলতে রাজি হননি। অন্যদিকে, তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একাধিক তথ্য ও প্রমাণ্ হাতে নিতে চান সিবিআই আধিকারিকরা।







