নজরবন্দি ব্যুরো: কয়লা কাণ্ড: বেপাত্তা লালা, ঘনিষ্ঠ আরো একজনের অফিসে তল্লাশি CBI এর। গত কয়েকমাস ধরেই রাজ্যের কয়লা এবং গরু পাচারকে রুখতে তৎপর হয়েছে CBI। রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলা তোলপাড় করে খুজে বের করা হচ্ছে অভিযুক্তদের।আজ মঙ্গলবার কলকাতা এবং পশ্চিম বর্ধমান সহ চার জায়গায় হানা চালায় CBI। এবার মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছে গোয়েন্দারা।
আরও পড়ুনঃ ঋণের ভার কমিয়ে ফের মাঝআকাশে ডানা ওড়াতে তৈরি জেট এয়ারওয়েজ।
সূত্রের খবর মধ্যকলকাতার জয়শ্রী গ্রুপ বলে ওই সংস্থার কর্ণধার অনুপ আগরওয়াল কয়লা কিনতেন লালার কাছ থেকে। CBI সূত্রের খবর মূল অভিযুক্তের সঙ্গে লালার যোগাযোগ এবং সম্পর্কের কারণেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। লালার কাছ থেকে নিজের স্টিল প্ল্যান্টের জন্য প্রচুর পরিমাণে কয়লা কিনতেন সনু, তাতে প্রচুর মুনাফাও থাকতো লালার। লালার কার্যকলাপ এবং গতিবিধির ওপর নজরদারি করতে গিয়েই উঠে এসেছে সনুর নাম। বছরে কত টাকার কয়লা কিনতেন, লালার সঙ্গে যোগাযোগ কিভাবে এসব বিষয়েই জিজ্ঞাসবাদ করা হবে।
শুধু কলকাতা নয়, কুলটি, দুর্গাপুর সহ একাধিক জায়গাতে তল্লাশি চালাচ্ছে তাঁরা। কয়েকদিন আগেই CBI গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল লালার নামে। তার পরই লালা ওরফে অন্য মাঝির উকিল কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা পারেনা এই ঘটনার তদন্তভার নিতে। রেল এবং রেলের ভেতরের যেকোনো ঘটনার তদন্ত রেল করবে বা রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগ। অনুপের দাবি ছিল তিনি কয়লা নিতেন রেলের এলাকা থেকে। রাজ্য থেকে ঠিক করা হয় ঘটনার তদন্ত করবে CID।
কয়লা কাণ্ড: বেপাত্তা লালা, ঘনিষ্ঠ আরো একজনের অফিসে তল্লাশি CBI এর। কিন্তু লালার আবেদন খারিজ করে দেয় কোর্ট, এবং পুনরায় দায়িত্ব দেওয়া হয় CBI কে। তার পর থেকেই কার্যত CBI এই ঘটনার তদন্ত করছে গোটা রাজ্য জুড়ে। যদিও মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি এবং তাঁর অন্যতম ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিনয় মিশ্র এখনো বেপাত্তা।



