নজরবন্দি ব্যুরোঃ সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিবিআইয়ের ডেরায় কেষ্ট। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে নিজাম প্যালেসে অনুব্রত মণ্ডল উপস্থিত হলেন। সাড়ে দশটার মধ্যে আসার কথা ছিল তাঁর। সময়ের আগেই তিনি পৌঁছে যান। শুরু হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব। কড়া প্রশ্নের মুখে বীরভূমের জেলা সভাপতি।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: নিজাম প্যালেসে অনুব্রত, জিজ্ঞাসাবাদ শুরু
সিবিআই সূত্রে খবর, ৭ পাতার প্রশ্নপত্রে ৩৬ টি প্রশ্ন অনুব্রত মণ্ডলকে করতে চান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। সেই প্রশ্নের সমস্ত উত্তর পাওয়ার পর আবার প্রশ্নের তালিকা তৈরি করা হতে পারে।
সিবিআই সূত্রে খবর, সীমান্ত এলাকায় গরুপাচারের সঙ্গে যারা যুক্ত তাঁদের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের কী যোগ রয়েছে? অনুব্রত মণ্ডল তাঁদেরকে চেনেন কি না? গরু পাচার চক্রে মূল অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না। অথবা গরুপাচারের সঙ্গে জড়িত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে অনুব্রতর যোগাযোগ রয়েছে কী না তা জানতে চাইছে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।

একইসঙ্গে সিবিআই সূত্রে খবর, বীরভূমের ইলামবাজারের গরুর হাট থেকে মোটা অঙ্কের টাকা স্থানীয় নেতাদের পকেটে চলে যেত। এই খবর সিবিআইয়ের কাছে রয়েছে। সেটা কোনওভাবে অনুব্রতর কাছে পৌঁছাত কি না সে বিষয়েও অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান সিবিআই আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, সাক্ষীদের বয়ানের ভিত্তিতে যে সমস্ত তথ্য সিবিআই আধিকয়ারিকরা হাতে পেয়েছেন, সেই সমস্ত কিছু নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।
গত বছর এপ্রিল মাসে প্রথমবার গরু পাচারকাণ্ডে প্রথমবার তলব করা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। চলতি বছরেও ৬ এপ্রিল মাসে সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে বের হলেও এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। এরই মধ্যে তিনি সিবিআইকে জানিয়ে এন সিবিআই চাইলে হাসপাতালে এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
সিবিআইয়ের ডেরায় কেষ্ট, তৈরি সিবিআই

দুই সপ্তাহ পর অনুব্রত যেদিন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান, তার ২৪ ঘন্টার মধ্যে অনুব্রতকে জোড়া তলব সিবিআইয়ের। তিনি জানিয়ে দেন চিকিৎস্কদের পরামর্শে ২১ মে এর আগে হাজিরা দিতে পারবেন না। সেই কথা রাখলেন বীরভূমের কেষ্ট। ১৩ মাস পর সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। তার আগে ১০ টা ১০ মিনিট থেকে শুরু হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ।



