নজরবন্দি ব্যুরোঃ অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের জোগাড় করে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করাতেন প্রদীপ সিং। এমনকি চাকরি দেওয়ার নাম করে মোটা টাকা নিতেন প্রদীপ। মিডলম্যান প্রদীপের মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের খোঁজ মিলেছে। এমনটাই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছে সিবিআই। গোটা দুর্নীতির সঙ্গে কারা জড়িত? কাদের নির্দেশে তালিকা তৈরি হত? সবটা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই।
আরও পড়ুনঃ Dilip Ghosh: কেন্দ্রীয় নেতাদের সাবধান বার্তা, সুর নরম করলেন দিলীপ ঘোষ


সিবিআই সূত্রে খবর, বুধবার এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মিডলম্যান প্রদীপ সিংকে গ্রেফতার করে সিবিআই। বৃহস্পতিবার তাঁর সল্টলেকের জিডি ব্লকের ২৫৩ নং বাড়ি যান তদন্তকারী আধিকারিকরা। তদন্ত সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে ওই অফিসে আসতেন প্রদীপ সিংহ। সেখান থেকেই তৈরি হত নিয়োগ সংক্রান্ত চুড়ান্ত তালিকা।

সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই অনেকগুলি ইমেল আইডি পাওয়া গিয়েছে, যেখানে অযোগ্য প্রার্থীদের নামের তালিকা পাওয়া গিয়েছে। প্রদীপের সঙ্গে কথা হয়েছে, এরকম ৫ টি ফোন নাম্বার পাওয়া গিয়েছে। কাদের সঙ্গে কথা হত প্রদীপের? কার নির্দেশ তৈরি হত তালিকা? প্রশ্ন খুঁজে বের করতে চায় সিবিআই।
সিবিআইয়ের আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছে,নাকতলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়র বাড়ির কাছে একটি কম্পিউটার সেট আপ ছিল। সেটা প্রদীপ চালাতেন। সেখান থেকে প্রচুর তথ্য পাওয়া গিয়েছে। যেমন ইমেল আইডি, যোগ্য নয় এমন প্রার্থীদের নামের তালিকা ও ফোন নম্বর। এমনকি শান্তিপ্রসাদের ফোনে প্রদীপ সিংয়ের নম্বর ছটু বলে সেভ করা থাকত। সেখান থেকেও দুই জনের যোগ মিলেছে।


মিডলম্যান প্রদীপের মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের খোঁজ, বিরাট সূত্র হাতে পেল সিবিআই

ইতিমধ্যেই শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক জনকে গ্রেফতার করেছ ইডি ও সিবিআই। সিবিআইয়ের স্ক্যানারে এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য। সিবিআইয়ের অনুমান চাকরি দেওয়ার নাম করে মোটা টাকার লেনদেন হত প্রদীপের মাধ্যমেই। মনে করা হচ্ছে প্রদীপের সঙ্গে বড় মাথাদের যোগ ছিল।
সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই একাধিক অ্যাডমিট কার্ডের হদিশ পেয়েছে সিবিআই। সেগুলোকে বাছাই করে তৈরি হচ্ছে তালিকা। ফলত একাধিকজন চাকরি হারাতে পারে। এমনটাই মনে করা হচ্ছে।







