নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোট পরবর্তী হিংসা মামলা নিয়ে আজ সকাল থেকেই পারদ চড়ছে রাজ্য রাজনীতির অন্দরে। বঙ্গ ভোটের রেশ মেটার পর থেকেই বিজেপির তরফ থেকে বারবার অভিযোগ করা হয়েছে বাংলায় ক্ষমতায় ফিরেই বিরোধী দলের কর্মী সমর্থকদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে শাসক দল।
আরও পড়ুনঃ বৃহস্পতির বারবেলায় শিখাকে ফোন মমতার, তৃণমূলে যোগদানের আহ্বান
গত কয়েকমাসে হিংসা কবলে ঘরছাড়া বহু, মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের। প্রথম থেকেই তৃণমূল সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করলেও, মানবাধিকার কমিশন লম্বা রিপোর্ট জমা দিয়েছিল। শাসক দলের তরফ থেকে সেই রিপোর্ট নিয়ে পক্ষপাত দুষ্টের অভিযোগ উঠলেও আজ হাই কোর্টের রায়ে জোর ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য।
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বড়ো ধাক্কা রাজ্যের, আদালতের রায়ে না খুশ সরকার পক্ষ।

বৃহস্পতির সকালেই হাই কোর্টের তরফে জানানো হয় এনএইচআরসি-র রিপোর্টেই মান্যতা দিয়েই আজ আদালতের তরফে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। সূত্রের খবর, প্রাথমিক ভাবে খুন, ধর্ষণের মামলায় তদন্ত করবে সিবিআই, বাকি সব মামলার তদন্তভার থাকছে সিটের অধীনে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট মেনে সিট গঠন করা হবে, সূত্রের খবর সুমন বালা সাহু, সৌমেন মিত্র-সহ তিন জন আইপিএস অফিসার নিয়ে গঠিত হবে সিটের টিম। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নজরদারিতে কাজ করবে সিট।
সেই রিপোর্ট ছ’সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে। সঙ্গে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। স্বাভাবিক ভাবেই কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ে বেশ বড়সড় জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। তবে তাতে খুশি নয় রাজ্য সরকার।

সরকারের কেউ কোর্টের রায়ে সাবধানী মন্তব্য করেছেন, ত কেউ সরাসরি জানিয়েছেন খুশি নন তাঁরা। আভাস মিলেছিল প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাবে রাজ্য সরকার। তবে সরকারের আপিলের আগেই দাখিল হল ক্যাভিয়েট। শীর্ষ আদালতে যাতে একপক্ষের শুনানি না হয় তা নিশ্চিত করতে আগে ভাগেই ক্যাভিয়েট দাখিল করে রাখলেন অনিন্দ্য সুন্দর দাস ও প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওয়াল। এর ফলে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে গেলেও শুনানিতে ডাকা হবে মামলাকারীদের।



