নজরবন্দি ব্যুরোঃ ধর্ষণ ও নারকীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩২ বছরের এক মহিলার। ভয়াবহ ঘটনা স্মৃতি উসকে দিয়েছে নির্ভয়া-কাণ্ডের। পাশাপাশি প্রশ্ন তুলে দিয়েছে মুম্বাইয়ে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে। একটি টেম্পোর মধ্যে ধর্ষণ করা হয় ওই মহিলাকে। রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যৌনাঙ্গে। নৃশংস অত্যাচার করা হয় তাঁর ওপর। তা নিয়েই সাফাই দিলেন মুম্বই পুলিশ কমিশনার হেমন্ত নাগরালে।
আর পড়ুনঃ যোগীরাজ্যে উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে কলকাতার ছবি, ক্ষমা চাইল সংবাদপত্র!!!!
তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, উৎসবের মরশুমে যেখানে পুলিশের টহলদারি বেড়েছে, সেখানে কীভাবে এমন অপরাধ ঘটল? উত্তরে তিনি বলেন, ”পুলিশ ঘটনাস্থলে ১০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছিল। তাদের পক্ষে প্রতিটি অপরাধের ঘটনায় উপস্থিত থাকা সম্ভব নয়। খবর পেলে তবেই সেখানে যাওয়া সম্ভব। পুলিশ তাদের সেরাটাই দিয়েছে।” এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য চন্দ্রমুখী দেবী বলেন, “এই ধরনের বিবৃতি অত্যন্ত দুঃখজনক”
উল্লেখ্য, গণেশ পুজোর ঠিক আগের রাতে, বৃহস্পতিবার রাত ৩ টে নাগাদ মুম্বইয়ের সাকি নাকা এলাকায় ধর্ষন করা হয় ওই মহিলা কে। পুলিশের কাছে ফোন আসে এক অজানা ব্যাক্তির। পুলিশ জানতে পারে, একটি টেম্পোর ভিতর এক মহিলা ও এক ব্যক্তির মধ্যে তীব্র বচসা চলছে। চিৎকার শোনা যাচ্ছে এক মহিলার। তড়িঘড়ি পুলিশ ছুটে আসে ঘটনাস্থলে। কিন্তু ততক্ষনে সব শেষ। পুলিশ এসে দেখে টেম্পোর ভেতর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ড়য়েছেন ওই মহিলা।
পুলিশের পক্ষে সব জায়গায় থাকা সম্ভব নয়, মুম্বই ধর্ষণ কাণ্ডে সাফাই কমিশনারের!

দ্রুত মহিলাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। ৩৩ ঘন্টা মৃত্যুর সাথে লড়াই করে পরাজিত হন মহিলা। মৃত্যু হয় তাঁর। এদিকে মোহন চৌহান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশ। যদিও আরও এক বা একাধিক ব্যাক্তির খোঁজ চলছে। পুলিশের বিশ্বাস এই ঘটনা একার নয়, জড়িয়ে রয়েছে একাধিক ব্যাক্তি। এই ঘটনা স্মৃতি উসকে দিল দিল্লির নির্ভয়ার। একই ভাবেই নৃশংস অত্যাচার ও গণধর্ষণের শিকার হতে হয়েছিল দিল্লির এক যুবতীকে। দিল্লিতে ফাঁকা বাসের মধ্যে গণধর্ষণ করা হয়েছিল ওই যুবতীকে।



