নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুজাপুরে দাদা ইশা খানের বিরুদ্ধে প্রার্থী মৌসম? ২১-এর নির্বাচন যেমন রাজ্যের দুই জেলা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর একটা বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে ঠিক তেমনি সমান প্রাধান্য পাচ্ছে মালদা জেলা। শাসক দলের কাছে এই দুই জেলা এবার ভোটে প্রেস্টিজ ফাইট। মেদিনীপুরে শুভেন্দু আর মালদাতে কংগ্রেস। কারণ ১১ বছর পরেও এই জেলা থেকে কোন শাসক দলের প্রতিনিধি নেই।
আরও পড়ুনঃ টেটের মেধা তালিকায় বেনিয়ম, হাইকোর্টে ৬ টি মামলার শুনানি সোমবার।


আর এই আক্ষেপ যে মুখ্যমন্ত্রীর ভেতরে আছে সেটা তিনি প্রকাশ করেছেন মালদার জনসভায়। তাই তৃণমূল এবারে মরিয়া মালদা জেলায় খাতা খুলতে। আর সেখানেই এবার গনিখানের পরিবারকে আমনে সামনে নিয়ে এসে মাষ্টার স্ট্রোক দিতে চলেছেন মমতা। কারণ সূত্রের খবর এবার গনিখানের খাসতালুক সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হতে চলেছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা জেলা সভাপতি মৌসম নুর।
যে কেন্দ্র থেকে গত বিধানসভা নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হয়েছেন মৌসমের দাদা ইশা খান চৌধুরী। সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্র বরাবরই কংগ্রেসের খাসতালুক। এই বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেসের একটা ইতিহাস আছে, কারণ এই কেন্দ্র থেকেই প্রথম বিধায়ক হয়েছিলেন প্রয়াত আবুল বরকাত আতাউল গনিখান চৌধুরী। আর তার পর থেকে এখানে গনিখান ও কংগ্রেস একটা ফ্যাক্টর।
কিন্তু মালদা জেলাতে দাঁত ফোটাতে না পেরে এবার ভাইএর সামনে বোনকে দাঁড় করিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চেষ্টা করছেন মমতা। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ইশা খান চৌধুরী বলেন, ”নোংরা পলিটিক্স করছে তৃণমূল। তাঁরা মুখে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা বললেও এই সিদ্ধান্তে আখেরে লাভবান হবে বিজেপি। তবে আমাদের কোনও সমস্যা নেই। এর আগেও মৌসুম নূর আমার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন।


সুজাপুরে দাদা ইশা খানের বিরুদ্ধে প্রার্থী মৌসম? এটা রাজনৈতিক লড়াই। আমরা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করব। তবে এতদিনেও তৃণমূল যে জেলায় কোন নেতৃত্ব তৈরি করতে পারেনি সেটা প্রমাণ হয়ে গেল। কারণ এবারেও তাকে ভরসা রাখতে হচ্ছে গনি পরিবারের উপর।”







