নজরবন্দি ব্যুরোঃ পদ্মের টানে ভরছেনা মাঠ! বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে এবার আদা জল খেয়ে নেমেছে বিজেপি। গত লোকসভায় ১৮টি আসন পাওয়ার পরেই রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের চোখ এবার বঙ্গ শাসন করার । আর সেই উদ্দেশ্য নিয়েই কেন্দ্রীয় নেতাদের আনাগোনা বেড়েই চলেছে রাজ্যে। খোদ মোদি, অমিত শাহ থেকে জে পি নাড্ডা, স্মৃতি ইরানি-সহ যোগি আদিত্যনাথ কেউই বাদ যায়নি ভোটের মুখে রাজ্য সফরে আসতে। এই সমস্ত নেতা-নেত্রীরা রাজ্যে এসে করেছেন রথযাত্রা, রেলি এমনকি জনসভাও।
আরও পড়ুনঃ এভাবে চললে ১০০ পেরোবে না, দিল্লীতে BJP-র বৈঠকে ‘বিস্ফোরণ’! #Exclusive
এবার বিজেপির টার্গেট রাজ্যে ২০০-র বেশি আসন। আর সেই কথা মাথায় রেখেই অনেক আলাপ-আলোচনা ও মিটিংয়ের পর পার্থী তালিকা ঘোষনা করেছে বিজেপি। কিন্তু প্রার্থী তালিকা ঘোষনা হতেই প্রার্থীদের বিরুদ্ধে রাজ্য জুড়ে দেখা দিয়েছে বিক্ষোভ। আর এই বিক্ষোভের ফলে টনক নড়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। শীর্ষ নেতৃত্বের প্রশ্ন, তাহলে কি নীচু তলায় এখনও সেই ভাবে সংগঘঠন তৈরী করতে পারেনি বিজেপি? এর আরও বর প্রমান দিয়ে দিয়েছে রাজ্যের জনগণ। কারণ ভোটের মুখে বিজেপির জনসভায় সেই ভাবে লোক আসছে না তা প্রমাণিত।
পদ্মের টানে ভরছেনা মাঠ! দু’দিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র সভাতেও সেই ভাবে জন সমাগম হয়নি। যা নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন মমতা ও অভিষেক। আর বাঁকুড়ার শালতোরায় জনসভা করার কথা ছিল স্মৃতি ইরানির। কিন্তু সেই সভা বাতিল করেছেন মন্ত্রী। এই সভা বাতিলের কারণ হিসেবে লোকসভায় উপস্থিতি বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে। স্মৃতি ইরানি ক্যাবিনেট মন্ত্রী হওয়ায় লোকসভায় তাঁর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ছিল।
কিন্তু বিরোধীরা বলছে অন্য কথা। তাদের বক্তব্য অমিত শাহ, নীতিন গড়কোড়ি, যোগি গত কয়েকদিনে বেশ কপয়েকটি জনসভা করেছেন, কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সেই সব জন সভায় লোক তেমন হয়নি। এবার স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও তেমনটা হতে পারে ভেবে আগে থেকেই মুখ বাচাতে সভা বাতিল করেছে বিজেপি। বিরোধীদের এই অভিযোগকে একেবাড়েই যে ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা তেমনটা নয়।



