নজরবন্দি ব্যুরোঃ আস্থা নেই SSC’তে, আজ আদালতে চরম ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে। রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের জট কাটছেই না। বহু আন্দোলনের পর একাধিক জট কাটিয়ে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হলেও তাতে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে ফের।
আরও পড়ুনঃ এবার লক্ষীর ভান্ডারের সাথে মিলবে যক্ষ্মা রোগীর মাসিক ভাতা
দিন কয়েক আগেই মেধা তালিকায় অসচ্ছতার অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা করেছিলেন গোপাল মণ্ডল, মামলা লড়ছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। গোপাল মন্ডল ২০১৬ এর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, বিষয় ছিল গণিত।
২০১৯ এ ফল প্রকাশের পর উত্তীর্ণের তালিকায় নাম না থাকায়, আরটিআই করেন তিনি। দেখা যায় ২১৪ নাম্বারে নাম আছে তাঁর, পেয়েছেন ৬০ শতাংশ নম্বর। তিনি চাকরি পাননি, অথচ চাকরি পেয়েছেন ২৫২ নাম্বারে নাম থাকা নীলমনি বর্মন। পেয়েছেন ৫৮.৬৭ শতাংশ নাম্বার।
আস্থা নেই স্কুল সার্ভিস কমিশনে, ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট।
এর পরেই মামলা দায়ের করেন তিনি। আগেই এক মামলার সওয়াল জবাব চলাকালীন নিজেদের ভুল একপ্রকার স্বীকার করে নেয় কমিশন। ভুল স্বীকার করে কার্যত রিপোর্টও জমা দেয়। সেই রিপোর্ট এই মামলার সময় সামনে আসায় কমিশনকে একহাত নিয়ে ভর্ৎসনা করে হাইকোর্ট।
সূত্রের খবর কমিশনের দেওয়া সেই রিপোর্ট দেখেই ক্ষুব বিচারপতি অ্যাডভোকেট জেনারেল কে উদ্দেশ্য করে বলেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওপর আমার কোনও ভরসা নেই।” এমনকি মামলা থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
যদিও এই প্রথম নয়, এর আগেও শিক্ষক নিয়োগের একাধিক মামলায় আদালতের কাছে ভর্ৎসিত হিয়েছে কমিশন। স্কুল সার্ভিস কমিশনকে অপদার্থ বলেও জানিয়েছিল আদালত।



