নজরবন্দি ব্যুরো: যেকোনও ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজেদের দাবি জানিয়ে আদালতে মামলা করেন রাজনৈতিক দলের সদস্যরা। বর্তমান সময়ে এর প্রবণতা যেন আরও বেড়েছে। আদালতে রাজনৈতিক মামলার পাহাড় জমছে। এনিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। মামলা ছেড়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের একটি মামলার শুনানি শুরু হয় বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে। ১০ জনের রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর মামলায় বিরক্তি প্রকাশ করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, “শুধু বিরোধী দলনেতারই ২৭-২৮ টি মামলা। এছাড়া একই ধরনের আরও ১০ টা মামলা এখনই আছে। শুধু রাজনৈতিক মামলা শুনে যাব নাকি?” এরপরই মামলা ছেড়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বিচারপতি। এদিন রাজ্যকে আদালত প্রশ্ন করে, “যখন ভোটের আগে এত এত রক্ষাকবচ কোর্ট দিয়েছিল, তখন কেন রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চে বা সুপ্রিম কোর্টে যায়নি? ভোটের আগে ও পরে অভিযুক্তর স্টেটাস একই আছে। তখন যদি রাজ্য সমর্থন করতে পারে, তাহলে এখন কেন আপত্তি?

রাজ্যকে দু সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা যখন ১৫ জুলাই পর্যন্ত সব অভিযুক্তকে রক্ষাকবচ দিয়েছিলেন, তখন রাজ্য আপত্তি করেনি। মামলা ফের সিঙ্গেল বেঞ্চে ফিরেছে। এনিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন বিচারপতি।

উল্লেখ্য, বিগত কিছু সময় ধরে আদালতে বহু মামলা দায়ের হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়। ভোট ঘোষণার পরই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এরপর চলেছে মামলার পালা। বারংবার নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা পাওয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ এনে মঙ্গলবার হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।
রাজনৈতিক মামলার পাহাড়, বিরোধী দলনেতারই ২৭-২৮ টি মামলা, বিরক্তি প্রকাশ বিচারপতির




