নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঝালদার ৬ কাউন্সিলরকে রক্ষাকবচ। শুক্রবার এমনটাই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ, বুধবার অবধি ৪ জন কংগ্রেস এবং ২ জন নির্দল কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে না।
আরও পড়ুনঃ Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত, জরুরী বৈঠকে নবান্ন


এর আগে ঝালদা পুরসভার আস্থা ভোটে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূলের পুরপ্রধান সুরেশ আগরওয়াল। শনিবার নতুন বোর্ড গঠনের কথা রয়েছে। তাই মামলাকারীদের আশঙ্কা মিথ্যে মামলায় তাঁদের ফাঁসানো হতে পারে। এরপরেই ৬ জন কাউন্সিলরদের রক্ষাকবচ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরু থেকেই রাজ্য রাজনীতির নজরে ছিল ঝালদা পুরসভা। ২ নম্বর ওয়ার্ডে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী তপন কান্দুর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতির নজর কেড়েছিল ঝালদা পুরসভা। পরে ওই কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন তপন কান্দুর ভাইপো মিঠুন কান্দু।

গত মাসেই ঝালদার তৃণমূল পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন ৭ জন কাউন্সিলর। উপ-পুরপ্রধান তাঁর সময়সীমার শেষের দিকে অর্থাৎ ২১ নভেম্বর তলবি সভা ডেকেছিলেন। কিন্তু সেই সভার বিপক্ষে যান অনাস্থা প্রস্তাব আনা কাউন্সিলররা।


পরে শাসক ও বিরোধী শিবিরের এই বিবাদ গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। বিরোধী কাউন্সিলরদের জারি করা নোটিস খারিজের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ঝালদা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুদীপ কর্মকার। ২১ নভেম্বর ঝালদা পুরসভায় আস্থা ভোটে পরাজিত হয় তৃণমূল। পুরসভা জয়ের পর ঝালদায় মিছিলও করে কংগ্রেস। তাঁরা নিহত তপন কান্দুর পক্ষে স্লোগান দিতে শুরু করে।
ঝালদার ৬ কাউন্সিলরকে রক্ষাকবচ, আগামীকাল বিরাট বদল

গত পুর নির্বাচনে ঝালদা পুরসভায় ৫ টি করে আসনে জয়লাভ করে তৃণমূল ও কংগ্রেস। ২ জন নির্দলের সমর্থনে পুরবোর্ড গঠন করে ঘাসফুল শিবির। এরই মধ্যে সোমনাথ কর্মকার, যিনি নির্দল কাউন্সিলর, কংগ্রেসের ৫ জনের সঙ্গে পৌরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থার চিঠি দেন।বৃহস্পতিবার শেষ পেরেকটি পুঁতে দিলেন তৃণমূলের কাউ্সিলর এবং একদা নির্দল হয়ে জেতা শীলা চট্টোপাধ্যায়। সেখান থেকেই মনে করা হচ্ছিল ঝালদা পুরসভায় রাজনৈতিক বদল এখন সময়ের অপেক্ষা। তাই রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস কাউন্সিলররা।








