নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুল সার্ভিস কমিশনের কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষা বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় বাড়ল অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ। ৩০ ডিসেম্বর বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া অবশি বাড়ল অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগ নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা দেখা দিল।
আরও পড়ুনঃ Partha-Arpita: পার্থ ও অর্পিতাকে পিএমএলএ আদালতে পেশ, জামিন মিলবে, নাকি হেফাজত?
কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষায় অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। গত ১৮ নভেম্বর সেই নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর বেঞ্চ। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ আরও বাড়িয়ে দিলেন বিচারপতি। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অবধি নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।কলকাতা হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। আগামী ৩০ তারিখ অবধি নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ১৯ মের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রাজ্য জানিয়েছে, হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে বঞ্চিতদের নিয়োগ করতে হবে সেই শূন্যপদে। আবার কমিশন জানাচ্ছে, যাদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁদের জন্য শূন্যপদ। এরপরেই বিচারপতির প্রশ্ন, দুই জনের মতামত একে অপরের থেকে ভিন্ন। এটা কীভাবে সম্ভব? কমিশন ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নিয়োগ নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা, নিয়োগ নিয়ে বাড়ল স্থগিতাদেশ

এরপর রাজ্যের আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছে, যাদের ভুয়ো নিয়োগ হয়েছে, তাঁদের কথা ভেবে এবং তাঁদের পরিবারের কথা ভেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এমনকি এবিষয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়রাম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। সেইসময়েই বিচারপতির মন্তব্য, এই শিক্ষকদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন চাকরি প্রার্থীরা। এমনকি ছাত্রছাত্রীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। এরপরেই কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ১ ডিসেম্বর অবধি শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আজ ফের সেই মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হল।



