নজরবন্দি ব্যুরো: চলতি মাসের শেষেই ধর্মতলায় বাংলায় সভার আয়োজন করছে বঙ্গ-বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের এই সভায় উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। কিন্তু বিজেপির সভায় অনুমতি দেয়নি রাজ্য পুলিশ। এরপর হাইকোর্টে মামলা করে বিজেপি। সিঙ্গেল বেঞ্চ অনুমতি দিলে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টে ফের ধাক্কা রাজ্যের। ধর্মতলাতেই সভা করার অনুমতি পেল পদ্ম শিবির।
আরও পড়ুন: কাতারের কাছে আর্জি ভারতের, নৌসেনার প্রাক্তন কর্মীদের যেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া না হয়


শুক্রবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের মামলার শুনানি শুরু হয়। রাজ্যের তরফে সওয়াল করা হয়, ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে যেখানে বিজেপি সভা করার অনুমতি চেয়েছে সেটি শহরের কেন্দ্রবিন্দু। এই সভা হলে শহর স্তব্ধ হয়ে যাবে।’ পাল্টা ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ‘পশ্চিমবঙ্গে এটা নতুন কিছু নয়। কেউ সাধারণ মানুষ নিয়ে ভাবেন না। সরকারি কর্মচারি, রাজনৈতিক দল, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সবাই রাস্তা আটকে মিছিল করে। পুলিশ অনুমতি দিয়ে দেয়।’ উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ‘২১ জুলাইয়ের সভা ছাড়া আর কোনও সভা হয় না ওখানে।’ আদালত বলে, ‘হনুমান জয়ন্তীর সময়ও তো রাজ্য পুলিশের কোনও উপদেশমূলক বিজ্ঞপ্তি ছিল না। আদালত বলার পর গঠনমূলক বিজ্ঞপ্তি তৈরি হয়েছে।’

প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, অযথা সমস্যা তৈরি করা হচ্ছে। বিরক্তির সুরেই তিনি বলেন, ‘২১ জুলাইয়ের সভাও বন্ধ করে দিচ্ছি। সমস্ত সভা বন্ধ করে দেব। যে নিয়মের কথা আপনারা বলছেন শাসকদলের সভার ক্ষেত্রে এই নিয়ম আপনারা মানেন, সেই তালিকা নিয়ে আসুন।’ তাঁর কথায়, ‘অযথা এই অনুষ্ঠানকে জনপ্রিয় করে দিচ্ছেন। আগে যদি ১০ হাজার মানুষ আসত, এখন তাহলে ১ লাখ মানুষ আসবে।’ এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে বিধিনিষেধ আরোপ করে অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেয়।



সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ বহাল রাখলেন প্রধান বিচারপতি। বিধিনিষেধ আরোপ করে বিজেপিকে জানানোর জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা। একক বেঞ্চের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করল না ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ আগামী ২৯ নভেম্বর ধর্মতলায় সভা করতে পারবে বিজেপি।
রাজ্যকে ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতির, ধর্মতলায় বিজেপির সভাতে অনুমতি ডিভিশন বেঞ্চের








