সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। রাজভবনে তলব করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্টসচিবকে। পাশাপাশি, সাফ জানিয়ে দিলেন, রাজ্য প্রশাসন এই ধরনের ঘটনাকে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হলে তিনি সংবিধান অনুযায়ী যা ব্যবস্থা নেবার নেবেন। অন্যদিকে, সন্দেশখালির ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি করেছে বিজেপি (BJP)।
আরও পড়ুন: আইনি জট কাটার ১ সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগ! চাকরিপ্রার্থীদের সুখবর দিলেন ব্রাত্য


সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে একটি অডিও বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। তাঁর কথায়, ”সন্দেশখালিতে যা ঘটেছে তার সবটা শুনেছি। আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন এই পরিস্থিতি নিয়ে। এ ধরনের বর্বরতা, গুন্ডামি পশ্চিমবঙ্গে বরদাস্ত করা হবে না। এখানে বিভিন্ন সময় এই ধরনের গুন্ডারাজ চলছে। ভোটের আগে ও পরে একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে। অবিলম্বে এগুলো বন্ধ করতে হবে। সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর সরকার যদি তা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে সংবিধান অনুযায়ী আমি ব্যবস্থা নেব।”

শুক্রবার সকালে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। যদিও তালাবন্ধ বাড়িতে অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর সেই বাড়ির তালা ভাঙার চেষ্টা করেন গোয়েন্দারা। ঠিক সেই সময়ই শুরু হয় বিক্ষোভ। কয়েক জন স্থানীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিজেদের শাহজাহান শেখের অনুগামী বলে পরিচয় গোয়েন্দাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ধাক্কা দেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জনওয়ানদেরও।



সন্দেশখালির ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ বোসের, রাজভবনে তলব রাজ্যের ৩ শীর্ষ পদাধিকারিককে
পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই কোনও রকমে ঘটনাস্থল ছাড়েন ইডি আধিকারিকেরা। তারপরও ইট দিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। অবরোধ করা হয় রাস্তা। টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন তৃণমূল নেতার অনুগামীরা। মাথা ফেটে জখম হওয়া এক আধিকারিককে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। জখম হয়েছেন আরও দু’জন আধিকারিক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য চাওয়া হয়েছে।








