নজরবন্দি ব্যুরো: একদিকে চলছে ভোট। অন্যদিকে পঞ্চায়েতে বেলাগাম হিংসার প্রতিবাদে রাজ্য নির্বাচন কমিশন দফতরের সামনে বিক্ষোভ জানাল বিজেপির যুব মোর্চা। শুরু হয় তুমুল উত্তেজনা। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রিজন ভ্যানে করে বিজেপির করমী সমর্থকদের তুলে নিয়ে গেল পুলিশ।
আরও পড়ুন: লালগোলায় তৃণমূল সিপিএম সংঘর্ষ, ফের নিহত এক বাম কর্মী
প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েতে ব্যাপক হিংসার অভিযোগ নিয়েই এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতর ঘেরাও করে বিজেপির যুব মোর্চা। তাঁদের অভিযোগ, নিরপেক্ষভাবে ভোট পরিচালনা করতে ব্যর্থ কমিশন, বিভিন্ন জায়গায় গেরুয়া কর্মী সমর্থকদের আক্রমণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি, ব্যালট বক্সে আগুন লাগিয়ে দেওয়া, ভোটারদের প্রভাবিত করা এবং ছাপ্পা ভোটের অভিযোগেই বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা। কিছুক্ষণ আগেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে নিশানায় এনে বলেন, ‘আর কত রক্ত চাই আপনার?’ একই সঙ্গে ভোটপর্ব মিটে গেলে সন্ধ্যার পর তিনি কমিশনের দফতরে গিয়ে তালা ঝোলানোর মতো হুমকিও দিয়েছেন।

খুন, মারামারি, গুলি, ব্যালট পেপারে আগুন জ্বালানো কোনও কিছুই বাদ থাকল না পঞ্চায়েত ভোটের প্রথম কয়েক ঘন্টায়। ভোট শুরুর আগেই আশঙ্কা ছিল হিংসা চরমে পৌঁছতে পারে। সব আশঙ্কা সত্যি করে নজিরবিহীন অশান্তির সাক্ষী গোটা বাংলা।
ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত ভোটের প্রথম ছয় ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। সবচেয়ে বেশী অশান্ত মুর্শিদাবাদ। সেখানে ৫ জনের প্রাণ গেল রাজনৈতিক হিংসায়। পূর্ব বর্ধমান, কোচবিহারে মারা গিয়েছেন ২ জন করে। নদীয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও মালদহে ১ টি করে প্রাণ বলি হয়েছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, নজিরবিহীন হিংসার মধ্যেই চলছে গ্রামোন্নয়ন প্রতিনিধিদের ‘সু-নির্বাচন’।
বেলাগাম হিংসার প্রতিবাদে কমিশনের সামনে বিক্ষোভ বিজেপির, গাড়ি বোঝাই করে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ!









