নজরবন্দি ব্যুরো: পাহাড়ে সেভাবে ফুটল না পদ্ম। উত্তরবঙ্গ নিয়ে বিজেপির যে দম্ভ ছিল তাও ক্রমশ ফিকে হতে চলেছে। প্রায় সব আসনই খোয়া গেল বিজেপির। কারণ, যে মহাজোটের পরিকল্পনা হয়েছিল সেখানে কিন্তু বেশির ভাগ আসনই পেল অনীত থাপার দল প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার দখলে। পাহাড়ের নয়টি পঞ্চায়েত সমিতির মধ্যে সাতটি অনীত থাপার দলের হাতেই থাকল।
আরও পড়ুন: BJP-কে হারাতে একের বিরুদ্ধে এক, সনিয়া গান্ধী থেকে মমতা, মেগা বৈঠকে একজোট বিরোধীরা
পাহাড়ে ১১২টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং নয়টি পঞ্চায়েত সমিতির ভোট হয়েছে। এর মধ্যে কালিম্পং, লাভা-আলগাড়া, কার্শিয়াং, সুখিয়াপোখরি-জোরবাংলো, রংলি-রংলিওট পঞ্চায়েত সমিতি ভোটে জিতে এবং গরুবাথান পঞ্চায়েত সমিতি নির্দলদের যোগদানে পাহাড়ের শাসক দলের দখলে গেল। বাকি পেডংয়ে নির্দলেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং মিরিক ত্রিশঙ্কু রয়েছে। মিরিকে ১৫টি আসনের মধ্যে মোর্চা চারটি, বিজেপি পাঁচটি এবং নির্দলেরা ছ’টি আসন পেয়েছেন। নির্দলদের মধ্যে ‘মহাজোটের’ প্রার্থীরা থাকায় সমিতি বিরোধীদের দখলেই থাকার কথায়। তেমনই, ১০ আসন বিশিষ্ট পেডং পঞ্চায়েত সমিতিতে ভোটে প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা চারটি, বিজেপি একটি এবং নির্দলেরা পাঁচটি আসন জিতেছে। এখানে নির্দলেরা যে দিকে যাবেন, বোর্ড সে পক্ষ গড়বে।

সোমবার বিকালে এই হিসাব উল্টেপাল্ট করে পাহাড়ে নতুন আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন অনীত থাপা। পাহাড়ের নেতারা মনে করছেন, পেডংয়ের নির্দলেরা শাসক দলেই যোগ দিতে চলেছে। যেমন ২২ আসনের গরুবাথান পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা ন’টি, বিজেপি একটি এবং নির্দলেরা ১২টি আসন পায়। এ দিন তিন জন নির্দল শাসক শিবিরে ফিরে আসায় প্রজাতান্ত্রিকদের সংখ্যা ১২টি হল। আরও কয়েক জন নির্দলও যোগদানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে মিরিক নিয়ে বিরোধী শিবিরে উত্কণ্ঠা শুরু হয়ে গিয়েছে। পাহাড়ে একমাত্র মিরিকেই ‘মহাজোট’ কিছু আসন পেয়েছে।
পাহাড়েও সেভাবে ফুটল না পদ্ম, প্রায় সব আসন গেল অনীত থাপার দখলে




