প্রথম বারের জন্য রাজনৈতিক মঞ্চে বক্তব্য রাখলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বর্তমান বিজেপি নেতা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শনিবার শিলিগুড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিজয় সংকল্প সভায় উপস্থিত ছিলেন অভিজিৎ। এদিন মোদী আসার আগেই বক্তব্য রাখলেন প্রাক্তন বিচারপতি। ডাক দিলেন, তৃণমূল সরকারকে উৎখাতের। বললেন, একটিও ভোট যেন ঘাসফুলে না যায় অর্থাৎ নো ভোট টু টিএমসি।
আরও পড়ুন: অভিজিৎ-তাপসের যোগদানের মধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন, দল ছাড়লেন ঝাড়গ্রামের সাংসদ!


এদিন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এই সরকার দুর্নীতিগ্রস্থ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেই দুর্নীতি হয়েছে। আমি বিচারপতি থাকার সময় সেই প্রমাণ পেয়েছি। তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা এখন জেলে। তাই এদের একটিও ভোট দেবেন না। ৪২টি আসনের বিজপিকে জেতান আপনারা। তবেই বাংলার ভালো হবে, সবার ভালো হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আজও বহু চাকরিপ্রার্থী যাঁরা অনেক বেশি নম্বর অর্জন করেছেন তাঁদের চাকরি দেওয়া হয়নি। দেওয়া হয়েছে যাঁরা অনেক কম নম্বর পেয়ে বেশ কিছু টাকা দিয়ে চাকরিটা কিনেছেন তাঁদের। ফলে এই যে দুর্বৃত্তরা নিজেদের পকেটে টাকা ঢুকিয়েছে, নিজেদের দৌরাত্ম্যে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থাকে শেষ করে দেওয়ার রাস্তায় হেঁটেছেন।”



প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের আগে ঘনঘন রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। আরামবাগ, কৃষ্ণনগর, বারাসাতে সভা করার পর এদিন শিলিগুড়িতে সভা করবেন তিনি। উত্তরবঙ্গ বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। এদিনের সভায় উপস্থিত রয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং উত্তরবঙ্গের একাধিক নেতারা। প্রথমবার রাজনৈতিক মঞ্চে বপক্তব্য রাখলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
গত ৭ মার্চ শুভেন্দু-সুকান্তর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করতে পারে গেরুয়া শিবির। ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিজিতকে টিকিট দিতে পারে বিজেপি। উঠে আসছে তমলুক কেন্দ্রের নামও।
মোদীর সভায় অভিজিৎ, প্রথমবার রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে কী বার্তা বিজেপি নেতার?

অন্যদিকে, রবিবার আবার ব্রিগেডে জনগর্জন সভার ডাক দিয়েছে তৃণমূল। লোকসভার প্রচার শুরু হবে সেদিন থেকেই। রবিবারই সন্দেশখালিতে সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার সন্দেশখালি যাবে সিপিআইএম। অর্থাৎ, ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। আজ শিলিগুড়ি থেকে কী বার্তা দেন নরেন্দ্র মোদী, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।








