সদ্য সমাপ্ত হওয়া লোকসভা ভোটে ৪২টির মধ্যে ২৯ আসনে জয়লাভ করেছে রাজ্যের শাসক দল। বিধানসভা ধরে হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূল জিতেছে ১৯৫টি বিধানসভায়। তবে ২০২৬’র বিধানসভায় যাতে এসব ছাপিয়ে টার্গেট যাতে কোনওভাবেই ২৫০এর নীচে না নামে, তা নিয়ে এখন থেকেই রাজনৈতিক ভাবে কোমর বাঁধছে ঘাসফুল শিবির। এরই মধ্যে হচ্ছে একাধিক মন্ত্রীর দফতর বদল। লোকসভায় ভাল পার্ফর্মেন্সের জন্যে পুরস্কৃত হচ্ছেন একাধিক মন্ত্রী। তালিকায় নাম রয়েছে উত্তরবঙ্গের দুই হেভিওয়েটের।
আরও পড়ুনঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে অমিত শাহ বাদ? নীতীশ-চন্দ্রবাবুর বায়না মেটাতে হিমসিম খাচ্ছেন মোদী।


তৃতীয়বার সরকারে আসার পর কেটে গিয়েছে আড়াই বছর। এই সময়কালে তাঁর কোন মন্ত্রী কেমন কাজ করেছেন, আগামী ১১ জুনের প্রশাসনিক বৈঠকে তারই ‘পরীক্ষা’ নেবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তৃণমূলস্তর পর্যন্ত জনকল্যানমূলক প্রকল্পের সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেও বদ্ধপরিকর নবান্ন। এই প্রেক্ষাপটে রাজ্যের মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ইতিমধ্যেই সাংসদ হিসেবে নির্বাচত হয়েছেন। এই পর্বে তার পদ সহ আরও কয়েকটি দপ্তরের ফেরবদল হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও, উত্তরবঙ্গে তৃণমূল পেয়েছে মাত্র একটি আসন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক কে হারাতে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন উদয়ন গুহ। সূত্রের খবর, তাঁকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর থেকে সরিয়ে আরও গুরুত্বপূর্ন মন্ত্রক বনদফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে চলেছে। পাশাপশি, একাধিক অন্তর্কলহ সামলে বালুরঘাট কেন্দ্রে সুকান্ত মজুমদার কে প্রায় হারিয়ে দেওয়া বিপ্লব মিত্রকেও পুরস্কৃত করতে চলেছে দল। ক্রেতা সুরক্ষা দফতর থেকে তাঁকে কৃষি এবং সেচ দফতরের মন্ত্রী করা হবে বলে খবর।
অন্তর্দন্দ্ব সামলে ব্যাপক লড়াই দিয়েছেন লোকসভা ভোটে, মন্ত্রীত্বে পদোন্নতি বিপ্লব উদয়নের!



প্রথমে ১২ জুন এই প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক হওয়ার ছিল, পরবর্তীকালে তা বদলে ১১ জুন বিকেল ৪টে তে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই মর্মে শুক্রবার বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রোটোকল ব্রাঞ্চ। বৈঠকে প্রত্যেক দপ্তরের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিভাগীয় কমিশনার, যুগ্ম সচিব স্তর থেকে শুরু করে সমস্ত পদস্থ আধিকারিক এবং জেলাশাসকদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।







