নজরবন্দি ব্যুরোঃ চিয়ার লিডার নেই। করোনার জন্য নেই স্টেডিয়াম জোড়া দর্শক। নেই সেই উচ্ছ্বাস যোগানের জনতা। কিন্তু তাতে কী। ম্যাচ জেতার পর নিজেরাই একটু নাচতে দোষ কোথায় ! তাই ম্যাচ জেতার পর এবার আইপিএলে বিহু নেচে নিলেন রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটসম্যান রিয়ান পরাগ। যিনি অহমিয়া।
আরও পড়ুনঃ কাজের ফাঁকে খোশমেজাজে, লন্ডনে পৌঁছে ইস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার দুই সাংসদের।
রবিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রাজস্থান রয়্যালসকে নাটকীয় ভাবে জিতিয়ে মাঠেই বিহু নাচতে শুরু করেন ১৮ বছরের রিয়ান। তবে টিন এজ এই ক্রিকেটারই শুধু নন, তাঁর টিমের শীর্ষস্তরেও অসম তথা বিহু বিরাজমান। ঘটনাচক্রে, রাজস্থান রয়্যালস যে সংস্থার অধীন, সেই ‘রয়্যাল মাল্টিস্পোর্ট প্রাইভেট মিলিটেড’-এর এগজিকিউটিভ চেয়ারম্যান হলেন রঞ্জিত বড়ঠাকুর।
যাঁর বাড়ি অসমের জোড়হাটে। তাঁকে অবশ্য এখনও মাঠে বিহু নাচতে দেখা যায়নি। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচে শেষ ওভারের পঞ্চম বলে খলিল আমেদকে কভারের উপর দিয়ে ছয় মেরে ম্যাচে দাঁড়ি টেনেছিলেন রিয়ান। তার পরই হেলমেট খুলে কোমরে হাত দিয়ে বিহু নাচতে থাকেন অসমের এই ক্রিকেটার।
চিয়ার লিডার নেই তাতে কি? বিহু নাচে মাতলেন রাজস্থান রয়্যালসের রিয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তা সাড়া ফেলে দেয় নেটাগরিকদের মধ্যে। প্রথমে অবশ্য অনেকে বুঝতে পারেননি, এটা কোন নাচ। দুবাইয়ে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ১৫৯ রানের লক্ষ্য ছুঁড়েছিল রাজস্থান। ৬৩ রানে ৪ উইকেট পড়ার পর নেমেছিলেন রিয়ান। ২৬ বলে ৪২ করে ম্যাচ জিতিয়ে ফেরেন তিনি। নিজের ইনিংস নিয়ে পরে রিয়ান বলেছেন, “ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম।
এই ধরনের পরিস্থিতি উপভোগ করি। যখন দলের দরকার, এগিয়ে আসতে চাই। স্পিনাররা ভাল বল করছিল। তাই শেষের দিকে মারার জন্য জোরে বোলারদেরই বেছে নিয়েছিলাম। আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। স্বপ্নে এমন পরিস্থিতির কথা ভাবি। আর স্বপ্নই বাস্তবায়িত হল যেন। ম্যাচের পরে বিহু নাচ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করতেই হেসে রিয়ান বললেন, “বিহু হল অসমের ঐতিহ্যবাহী নাচ। গ্যালারিতে বেশ কিছু অহমিয়া ছেলে ছিল। ম্যাচের পর মজার জন্যই নেচেছিলাম।”



