বড় স্বস্তি রাজ্যের, সংসদীয় কমিটির নোটিশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

“যে অভিযোগ করা হচ্ছে, অর্থাৎ সুকান্ত মজুমদারকে ধাক্কা দিয়ে গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে, তার প্রমাণ ভিডিয়োতে নেই। বরং ভিডিয়োতে যে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, সুকান্ত মজুমদারই দলের এক কর্মী তাঁকে টেনে নামান। তাঁর ধাক্কাতেই কার্যত সুকান্ত মজুমদার পড়ে গিয়েছিলেন।”

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগের ভিত্তিতে লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা বা প্রিভিলেজ কমিটি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি – সহ পাঁচ আধিকারিককে তলব করে। সংসদীয় কমিটির ঐ নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হন মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। লোকসভার সচিবালয়ের ঐ নোটিশে আপাতত স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় স্বস্তি পেল রাজ্যে। আগামী ৪ সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি।

বড় স্বস্তি রাজ্যের, সংসদীয় কমিটির নোটিশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

আরও পড়ুন : বাংলা থেকে দূরে তিহারে বন্দী অনুব্রত, বীরভূমে কেষ্টর পাশে থাকার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। এর আগে ১ মার্চ রাজ্যে আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তাই এখনই মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকা, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার-সহ রাজ্য প্রশাসনের পাঁচ আধিকারিকের দিল্লি যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজ্যের তরফে মুখ্যসচিব সুপ্রিম কোর্টে এই সংসদীয় তলবকে চ্যালেঞ্জ করে একটি পিটিশন ফাইল করে। জরুরি শুনানির আর্জিও জানানো হয়। গত বুধবার সন্দেশখালিতে অভিযান ছিল বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের।

বড় স্বস্তি রাজ্যের, সংসদীয় কমিটির নোটিশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

কিন্তু সেখানে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সেখানে পুলিশ তাদের ঢুকতে বাধা দেয়। রাজ্য পুলিশের সাথে বচসা বেঁধে যায় সুকান্ত মজুমদারের। গাড়ি থেকে পড়ে যান তিনি। রীতিমত অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে তাকে বসিরহাট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তাকে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে।রাজ্যের মুখ্যসচিবের তরফে আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, “সন্দেশখালির ঘটনা একটা রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল। সেখানে একজন সাংসদের অধিকার ভঙ্গের কোথাও কোনও প্রশ্ন নেই। ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করা হচ্ছিল।”

বড় স্বস্তি রাজ্যের, সংসদীয় কমিটির নোটিশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের
বড় স্বস্তি রাজ্যের, সংসদীয় কমিটির নোটিশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

 

বড় স্বস্তি রাজ্যের, সংসদীয় কমিটির নোটিশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

তিনি আরও বলেন, “যে অভিযোগ করা হচ্ছে, অর্থাৎ সুকান্ত মজুমদারকে ধাক্কা দিয়ে গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে, তার প্রমাণ ভিডিয়োতে নেই। বরং ভিডিয়োতে যে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, সুকান্ত মজুমদারই দলের এক কর্মী তাঁকে টেনে নামান। তাঁর ধাক্কাতেই কার্যত সুকান্ত মজুমদার পড়ে গিয়েছিলেন।” আইনজীবী কপিল সিব্বলের বক্তব্য, “যেদিন ঘটনা ঘটেছিল, ঘটনাস্থলে মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, এসপি কেউই ছিলেন না। তাঁদের কেন এক্ষেত্রে তলব করা হয়েছে। এই বিষয়টি কোনওভাবেই প্রিভিলেজের আওতায় পড়ে না।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর