নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যজুড়ে বেলাগাম করোনার সংক্রমণ। শুধুমাত্র শহর কলকাতা নয়, জেলাগুলিতেও বেড়ে চলেছে করোনার সংক্রমণ। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তায় নবান্ন। সোমবার সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং জেলাশাসকদের নিয়ে জরুরী বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যসচিব এইচকে দ্বিবেদী। এই মুহুর্তে রাজ্যের কোথায় করোনার কী পরিস্থিতি তা নিয়ে আলোচনা হবে বৈঠকে। পাশাপাশি আগামী দিনে কী পদক্ষেপ হবে রাজ্যের? তা নিয়েও হবে আলোচনা।
আরও পড়ুনঃ Coronavirus 3.0: করোনার ভয়ে ৩ বছরের শিশুকে বিষ খাইয়ে আত্মঘাতী মা!
উল্লেখ্য, কয়েকদিন ধরেই জেলাগুলিতে দাবানলের গতিতে বেড়ে চলেছে সংক্রমণ। কোন রাজ্যে কী পরিস্থিতি তা নিয়ে বিষদে আলোচনা হতে পারে এদিনের বৈঠকে। পাশাপাশি আগামী দিনে করোনা নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে তা নিয়েও হবে আলোচনা। কোন জেলায় কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা কত? প্রতিটি জোনে সঠিক নিয়মবিধি পালন হচ্ছে কী না তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বৈঠকে। আলোচনা হতে পারে টিকাকরণ নিয়েও।
রবিবার রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজার পার করেছে। আক্রান্তদের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। তৃতীয় ঢেউয়ে এখন পর্যন্ত তেমন ভাবে প্রাণহানি না হলেও ক্রমশ বাড়ছে ভয়। সংক্রমণ যেভাবে ছড়াচ্ছে তাতে বিশেষজ্ঞরা আতঙ্কিত। নতুন সপ্তাহের প্রথম দিন দেশের কোভিড গ্রাফ দেখে শঙ্কিত চিকিৎসক মহল।
একাধিক রাজ্যে গোষ্ঠি সংক্রমণের ঘটনা ঘটছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা চলতি মাসেই শীর্ষে উঠবে সংক্রমণ। তাই এদিনেই জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেই রাজ্য বড়সড় কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তায় নবান্ন, বড়সড় সিদ্ধান্তে হাঁটতে পারে রাজ্য

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, কলকাতা, মুম্বই এবং দিল্লীতে চলতি মাসের মাঝামাঝি শীর্ষে পৌঁছে যাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। সেক্ষেত্রে দৈনিক সংক্রমণ সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার এবং সর্বনিম্ন ৩৫ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে খবর সূত্রের। তবে চলতি মাসের মাঝামাঝি সংক্রমণ শীর্ষে পৌঁছালেও এই মাসের শেষের দিকে কমতে শুরু করবে সংক্রমণের তীব্রতা। ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আবার স্বাবাবিক হতে পারে করোনা পরিস্থিতি।



